এক্সপ্লোর
সংবিধান বাঁচাও কর্মসূচি প্রহসন, পরিবারতন্ত্র বাঁচানোর কৌশল, রাহুলকে পাল্টা অমিতের

নয়াদিল্লি: অমিত শাহের পাল্টা রাহুল গাঁধীকে। কংগ্রেস সভাপতির 'সংবিধান বাঁচাও' কর্মসূচি পরিবারতন্ত্র রক্ষার কৌশল, বললেন তিনি। প্রধান বিরোধী দলের 'মোদীর প্রতি ঘৃণা' 'ভারত বিদ্বেষে' পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপি সভাপতি। রাহুল আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তীব্র আক্রমণ করে তাঁর দল বিজেপি, আরএসএস সংবিধান ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে হত্যা করছে বলে অভিযোগ করেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই অমিত বিবৃতির মাধ্যমে জবাব দেন। বলেন, দেশে কোনও একটি রাজনৈতিক দল যদি বারবার একেবারে আক্ষরিক অর্থেই সংবিধানকে পদদলিত করে থাকে, তারা হল কংগ্রেস। বিরোধী দলের প্রধান বিচারপতিকে ইমপিচ করার উদ্যোগের উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান নিজস্ব পরিচয়, সত্ত্বা অটুট রাখতে চায়, পরিবারতন্ত্রের কাছে মাথা নোয়াতে চায় না, তাদের দানবীয় করে দেখিয়ে দুর্বল করে দেওয়ার প্রয়াসের অঙ্গ এটা। নাম না করে গাঁধী পরিবারকেই নিশানা করেন তিনি। ক্যাগ, নির্বাচন কমিশন, সেনাবাহিনী, সুপ্রিম কোর্টকে নানা সময় কংগ্রেস আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগের উল্লেখ করার পাশাপাশি ১৯৭৫ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির প্রসঙ্গও তোলেন অমিত। বলেন, সেনা, বিচারবিভাগ, সুপ্রিম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন, ইভিএম, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ওপর যাদের আস্থা নেই, তারা এখন বলছে, গণতন্ত্র বিপন্ন। কিন্তু ভারতে একটা সজীব গণতন্ত্র, সংবিধান বহাল রয়েছে। কংগ্রেসের সংবিধান বাঁচাও কর্মসূচি আসলে প্রহসন ছাড়া কিছুই নয়, যার উদ্দেশ্য গণতন্ত্রের শাসনের ওপর পরিবারতন্ত্রের রাজত্ব চাপানো। অতীতের মতোই আমাদের কংগ্রেসের হাত থেকে সংবিধানকে রক্ষা করতে হবে। অমিত শাহ এও বলেন, রাহুল বারবার কংগ্রেস সংবিধান তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করে তাঁর পরিবারের ডঃ অম্বেডকরকে অপমান করার ঐতিহ্যই ধরে রাখছেন। জীবদ্দশায় ওনাকে ছোট করেছিল, আজ আরও বেশি করে করছে। এটা নিন্দাজনক।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
নির্বাচন ২০২৬
নির্বাচন ২০২৬
নির্বাচন ২০২৬
ব্যবসা-বাণিজ্যের























