এক্সপ্লোর
‘ক্রিমিনাল’ বলেছেন মানেকা, মামলার কথা ভাবছেন বাঘিনীকে গুলি করে মারা বন্দুকবাজ

হায়দরাবাদ: মহারাষ্ট্রে বাঘিনী অবনীকে গুলি করে মারায় শোরগোল অব্যাহত। দুটি ১০ মাসের বাচ্চা রয়েছে অবনীর। গত ২ বছর তার হামলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি। ২ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের ইয়াভতমল জেলায় অভিযানের সময় অবনীকে গুলি করে মারে বন্দুকবাজ শাফাত আলি খানের ছেলে। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গাঁধীর তোপের মুখে পাল্টা শাফাত জানালেন, অবনীর হত্যা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্য, ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলায় মানেকার বিরুদ্ধে মামলার কথা ভাবছেন তিনি। শাফাতের দাবি, তাঁর ছেলে আসগর আলি ও তার চার সদস্যের টিমকে সেদিন অভিযান চালানোর অনুমোদন সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছিল মহারাষ্ট্রের বন দপ্তর এবং ওই বাঘিনীকে ঘুম পাড়ানো গুলি চালিয়ে শান্ত করতে গিয়ে ‘আত্মরক্ষার্থে’ই গুলি করতে হয়। মানেকা সম্প্রতি একগুচ্ছ ট্যুইটে দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট নানা মহলের বিরোধিতা সত্ত্বেও মহারাষ্ট্র সরকার অবনীকে মেরে ফেলার নির্দেশ দেয়। অবনী হত্যা সহ রাজ্যে শিকার অভিযান চালানোর জন্য বেসরকারি বন্দুকবাজ শাফাত ও তাঁর ছেলেকে ভাড়া করায় মহারাষ্ট্রের বনমন্ত্রী সুধীর মুঙ্গাতিওয়ারকেও তীব্র আক্রমণ করেন মানেকা। শাফাতকে ‘ক্রিমিনাল’ও বলেন। পাল্টা মুঙ্গাতিওয়ারের দাবি, এই শাফাতকেই ২০০৯-এ মানেকার এখনকার পিলিভিট লোকসভা কেন্দ্রে একটি বাঘকে গুলি করার ভার দেওয়া হয়েছিল। পিলিভিটে সেসময়কার প্রতিনিধি ছিলেন মানেকার ছেলে বরুণ গাঁধী। শাফাত বলেছেন, আমরা আইনি পরামর্শ নিচ্ছি। মানেকা আমার নামে, আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মারাত্মক, ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন। ওনার মতো ক্যাবিনেট মর্যাদার মন্ত্রী পদে আসীন মহিলা তথ্য যাচাই না করেই এরকম কথা বলছেন, এটাই বেদনার। শাফাতের দাবি, ২ নভেম্বর ঘুমপাড়ানি গুলি খেয়েও ওই বাঘিনী বিদ্যুত বেগে মাথা খোলা জিপের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, যাতে তাঁর ছেলে ও দলের বাকি সদস্যরা ছিল। গাড়ির কোনও একজনকে বাঘিনী ছুঁতে পারলেই দু-তিনজনের মৃত্যু ঘটতে পারত। সেই মূহূর্তে আমার ছেলে ওকে নিশানা করে গুলি চালায়। ওকে গুলি করা বা মেরে ফেলার কোনও প্ল্যানই ছিল না। সব কিছু খুব দ্রুত ঘটে। আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয়েছিল। বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইনের ১১(২) ধারায় আত্মরক্ষার্থে কোনও জন্তুকে গুলি করা অন্যায় নয় বলেই দাবি করেন শাফাত। বলেন, সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত স্পষ্ট বলেছে, আগে ঘুমপাড়ানি গুলি চালাতে হবে, কাজ না হলে আর কোনও মানুষের মৃত্যু এড়াতে গুলি করে মেরে ফেলতে হবে সেই জন্তুকে।
আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion




















