এক্সপ্লোর
সার্জিক্যাল স্ট্রাইক: জঙ্গিদের লাশ ট্রাকে করে নিয়ে গেছে লস্করই, জানাচ্ছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

নয়াদিল্লি: পাক শাসকগোষ্ঠী যাই বলুক, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা কিন্তু সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিচ্ছেন। তাঁদের দাবি, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি স্বল্প সময়ের এই অপারেশনের জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিল না। তাই প্রথমেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। অল্প সময়ের জন্য দুপক্ষের গুলিগোলা চলে। তারপরেই জিহাদিদের টেরর লঞ্চপ্যাড একের পর এক গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি যাঁরা বসবাস করেন, তাঁরা অনেকেই দেখেছেন এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক। তাঁরাই বিশদে জানিয়েছেন, কীভাবে খতম হয়ে যাওয়া অগুন্তি জঙ্গিদের দেহ ট্রাক বোঝাই করে নিয়ে যায় পাকিস্তানিরা, গোপনে কবর দেওয়ার জন্য। ২৯ তারিখ ভোরের আলো ফোটার আগেই সব দেহ লোপাট করে দেওয়া হয়। অল্প সময়ের জন্য হলেও কীভাবে ভয়ঙ্কর গুলিবর্ষণ হয়, তারও প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ দিয়েছেন তাঁরা। ২৮ তারিখ গভীর রাতে ৪ ঘণ্টার নিখুঁত সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে ভারত টেরর লঞ্চপ্যাড গুঁড়িয়ে দেওয়ার কথা জানালেও পাকিস্তান টানা দাবি করে আসছিল, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নয়, নিয়ন্ত্রণরেখায় দু’পক্ষের মামুলি উত্তেজনার বেশি কিছু ঘটেনি। কিন্তু এই সব বিবরণ থেকে স্পষ্ট, পাকিস্তানের দখলে থাকা কাশ্মীরেই এমন বহু মানুষ আছেন, যাঁদের কাছ থেকে ওই অপারেশনের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ পেতে পারেন রাওয়ালপিন্ডির সেনা কর্তারা। এমনকী ঠিক কোন কোন জায়গায় ভারতের হামলা চলেছে, তারও বিবরণ রয়েছে তাঁদের কাছে। নিয়ন্ত্রণরেখার এপারের অনেকের আত্মীয় বাস করেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। এপারের মানুষের হাত দিয়ে তাঁদের কাছে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে প্রশ্নপত্র পাঠায় সংবাদমাধ্যম। তার জবাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের এই বিশদ বিবরণ মিলেছে। নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতের সবথেকে কাছের পোস্ট গুলাব থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে থাকা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দুধনিয়াল গ্রামে গিয়েছিলেন ২জন। তাঁরাই এই হামলার সবথেকে খুঁটিনাটি বিবরণ দিয়েছেন। দুধনিয়ালের মূল বাজারে আল হাওয়াই সেতুর ওপাশে লস্কর ই তৈবা জঙ্গিদের একটি বাড়ি দাউদাউ করে জ্বলতে দেখেন তাঁরা। নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে কুপওয়ারা ঢোকার সময় এই আল হাওয়াই সেতুতেই তাদের মালপত্র জমা করে জঙ্গিরা। প্রচণ্ড বিস্ফোরণ আর গুলির শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা রাতে বেরোননি। ফলে ভারতীয় সেনাদের দেখেননি তাঁরা। পরে সকালে লস্কর জঙ্গিদের কাছ থেকে জানতে পারেন, তাদের ওপর হামলা চলেছে। এছাড়া চালহানায় লস্করের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি মসজিদ থেকে এক মৌলবী এই হত্যার বদলা নেওয়ার ঘোষণা করে বলেও তাঁরা জানিয়েছেন। আরও জানিয়েছেন, নিয়ন্ত্রণরেখা পাহারা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় লস্কর জঙ্গিরা পাক সেনাকে দোষারোপ করছিল, আস্ফালন করছিল, ভারতকে এর মুখের মত জবাব দেওয়া হবে।
Before You Go
ISKCON removes Radharaman Das: রাধারমণ দাসকে সমস্ত পদ থেকে সরাল ইস্কন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















