Noida Car Accident: ঘন কুয়াশার মাঝে একফালি হাল্কা আলো, গভীর কুয়োতে পড়েও বাঁচার মরিয়া চেষ্টা নয়ডার সেই ইঞ্জিনিয়ারের
Noida Techie Death Case: বারবার চিৎকার করে নিজের বাবার উদ্দেশে যুবরাজ বলছিলেন, 'আমি মরতে চাই না বাবা। আমায় বাঁচাও।'

Noida Car Accident: নয়ডায় ৭০ ফুট গভীর কুয়োয় পড়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ২৭ বছরের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার যুবরাজ মেহতার। ১৬ জানুয়ারি রাতে এই ঘটনা ঘটেছিল। সম্প্রতি এই দুর্ঘটনারই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যুবরাজের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে পরই জানা গিয়েছিল সেদিন গাড়ি কুয়োতে পড়ে যাওয়ার পরেও বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন ওই তরুণ। কোনওমতে গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। চড়ে বসেন গাড়ির ছাদে। খুব সাবধানে সামলাচ্ছিলেন নিজেকে, যাতে কোনও মতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি বেসামাল না হয়ে যান। আর গাড়ি যেন সহজে ডুবে না যায়। গাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে ফোনের ফ্ল্যাশ লাইট বা টর্চ জ্বেলে রেখেছিলেন যুবরাজ। অত্যন্ত ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা খুব কম ছিল। তাই নিজের উপস্থিতি টের পাওয়াতেই এই ব্যবস্থা নিয়েছিলেন যুবরাজ। বারবার চিৎকার করে নিজের বাবার উদ্দেশে যুবরাজ বলছিলেন, 'আমি মরতে চাই না বাবা। আমায় বাঁচাও।'
#Noida Techie Drowning Case: Fresh Video Shows 27-Year Old #YuvrajMehta Kept His #flashlight On Pleading For Help
— Ritam English (@english_ritam) January 22, 2026
- A disturbing #video has emerged from Noida’s Sector 150 involving a 27-year-old tech professional, Yuvraj Mehta.
- The white dot visible in the #viralvideo is… pic.twitter.com/Fq3RlvxpJ9
এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করেছে উত্তর প্রদেশ পুলিশ। দুর্ঘটনার দিন গাড়ি ওই গভীর গর্তে পড়ে যাওয়ার পর প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে বাঁচার জন্য আর্তনাদ করেছিলেন যুবরাজ। কিন্তু পুলিশ, দমকলবাহিনী, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ - এর টিম উদ্ধারকাজ শুরু করতে অনেকটা দেরি করে ফেলেছিল বলে অভিযোগ করেছেন মৃতের বাবা এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও। পুলিশ ইতিমধ্যেই যুবরাজের গাড়িটি উদ্ধার করেছে। এছাড়াও ঘটনাস্থলে গিয়েছিল ফরেন্সিক দল। তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেছেন ফরেন্সিক দলের বিশেষজ্ঞরা।
অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন যুবরাজ মেহতা। ঘন কুয়াশার কারণে ভালভাবে রাস্তা দেখা যাচ্ছিল না। রাস্তার মোড় ঘোরার সময় বাঁকেই ছিল একটি মরণফাঁদ। প্রায় ৭০ ফুট গভীর জল ভর্তি একটি কুয়ো। ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম থাকায় এই গর্তটিই নজরে আসেনি যুবরাজের। গাড়ি নিয়ে সটান গর্তে পড়ে যান তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অনেকদিন ধরেই এই গর্ত খোলা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বারংবার বলার পড়েও নির্মাণকাজ যে সংস্থা করছে তাদের কর্তৃপক্ষ নজর দেয়নি। এমনকি ওই অংশে যে কাজ চলছে সেটাও কোন প্রতিফলকে লেখা ছিল না। তাই আরওই বুঝতে পারেননি যুবরাজ।























