Operation Sindoor: 'মরকজ তৈবা'- লস্করের মুরিদকের এই ঘাঁটিতেই ছক হয়েছিল ২৬/১১ মুম্বই হামলার, ট্রেনিং হয়েছিল কাসভ-হেডলির
India's Strike on Pakistan: ১১ দিন পর উরি, ১২ দিন পর পুলওয়ামা, ১৫ দিন পর পহেলগাঁও হামলার প্রত্যাঘাত করল ভারত। ২৫ মিনিটের অভিযানে ২৪টি মিসাইল ছোড়া হয়েছে। ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি নিকেষ করা হয়েছে।

Operation Sindoor: পাকিস্তানের মুরিদকে- কেই কেন নিশানা করেছিল ভারত? এই প্রশ্নের জবাব এখন অনেকটাই স্পষ্ট। এই মুরিদকে লাহোর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এখানেই ছিল লস্কর-ই-তৈবার হেডকোয়ার্টার। আর এই ঘাঁটির তত্ত্বাবধানে ছিল হাফিজ সইদ। শোনা যাচ্ছে, মুরিদকের এই ঘাঁটি থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল ২৬/১১ মুম্বই হামলার। এমনকি আজমল কাসভ, ডেভিড কোলম্যান হেডলির প্রশিক্ষণ হয়েছিল মুরিদকের 'মরকজ তৈবা'- তে। এই জঙ্গি ঘাঁটি একেবারে ভেঙে গুঁড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে ভারতের তিন সেনাবাহিনীর একত্রিত অভিযান 'অপারেশন সিঁদুর'।
১১ দিন পর উরি, ১২ দিন পর পুলওয়ামা, ১৫ দিন পর পহেলগাঁও হামলার প্রত্যাঘাত করল ভারত। ২৫ মিনিটের অভিযানে ২৪টি মিসাইল ছোড়া হয়েছে। ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি নিকেষ করা হয়েছে। অনুমান প্রায় ৭০ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারের পরিবারের ১০ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে ভারতের প্রত্যাঘাত। নিহত হয়েছে আরও ৪ সহকারী। ভারত প্রত্যাঘাতে উড়িয়ে দিয়েছে বাহাওয়ালপুরের জইশ-ই-মহম্মদের ডেরাও। সূত্রের খবর, এখানে ছিল একটি মাদ্রাসা যার সঙ্গে যোগ রয়েছে জইশ চিফ মাসুদ আজহারের। যে জায়গায় প্রত্যাঘাত হয়েছে তার 'মরকজ সুভাব আল্লাহ্।'
পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকে, লাহোর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এক এলাকা। এখানেই ছিল লস্কর-ই-তৈবার হেডকোয়ার্টার, যা পাকিস্তানে 'সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘড়' নামেই পরিচিত। ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের কাছে বৈসারন উপত্যকায় হামলার দায় শিকার করেছিল লস্করেরই একটি শাখা সংগঠন টিআরএফ- দ্য রেজিসট্যান্ট ফ্রন্ট। অনুমান, এই হামলার পিছনে আদতে হাত রয়েছে লস্কর চিফ হাফিজ সইদেরই। ভারতের ইন্টেলিজেন্স র্যাডারে অনেকদিন ধরেই ছিল মুরিদকে- র এই লস্কর হেডকোয়ার্টার। শোনা যায়, ২০০০ সালে তৈরি হয় এই মরকজ তৈবা। এর ফান্ডিং নাকি করেছিল আল কায়দা চিফ ওসামা বিন লাদের। প্রায় ১০ মিলিয়ন খরচ করে তৈরি হয় এই মরকজ তৈবা।
১৯৭১- এর যুদ্ধের পর এই প্রথমবার। পাকিস্তানের মাটিতে একযোগে প্রত্যাঘাত করল ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনা। পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯ জায়গায় জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এয়ার স্ট্রাইকের মাধ্যমে। সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে ভারতের তরফে। পাকিস্তানের সামরিক কোনও ঘাঁটিকে নিশানা করা হয়নি। বেছে বেছে ধ্বংস করা হয়েছে জঙ্গি ঘাঁটি। ভারতের রাফাল গুঁড়িয়ে দিয়েছে এইসব জঙ্গি ঘাঁটি। বায়ুসেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে সমস্ত পাইলট নিরাপদেই রয়েছেন।






















