Kashmir Issue: কাশ্মীর-বিবাদে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ? ট্রাম্পের প্রস্তাবকে স্বাগত জানাল পাকিস্তান
Pakistan News: শনিবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করার পর ফের সোশ্য়াল মিডিয়ায় মুখ খোলেন ট্রাম্প।

নয়াদিল্লি: যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতার পর এখন কাশ্মীর নিয়েও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতা করতে আগ্রহী আমেরিকা। ভারতের অন্দরে সেই নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল পাকিস্তান। তারা জানিয়েছে, কাশ্মীর নিয়ে এই দীর্ঘ বিবাদের জেরে দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও নিরাপত্তায় যেমন প্রভাব পড়ছে, প্রভাব পড়ছে তার বাইরেও। রাষ্ট্রপুঞ্জের নীতি-নিয়মের আওতায় থেকে, কাশ্মীরিদের মৌলিক অধিকারের কথা মাথায় রেখেই যাতে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হোক। (Kashmir Issue)
শনিবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করার পর ফের সোশ্য়াল মিডিয়ায় মুখ খোলেন ট্রাম্প। কাশ্মীরকে তিনি '১০০০ বছরের সমস্যা' বলে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প লেখেন, 'আপনাদের দুই দেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে চাই। দেখতে চাই, ১০০০ বছর ধরে চল আসা কাশ্মীর সমস্যার সমাধান বের করা যায় কি না'। (Pakistan News)
ট্রাম্পের এই মন্তব্য নিয়ে কাটাছেঁড়ার মধ্যেই পাকিস্তানের তরফে বিবৃতি দেওয়া হয়। বলা হয়, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্যকে স্বাগত জানাই। ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তাকে স্বাগত। আমরা মানছি, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে, আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছে আমেরিকা। পাশাপাশি, জম্মু ও কাশ্মীরের বিবাদ নিয়ে ট্রাম্প যে সমাধান বের করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন, তার প্রশংসা করছি আমরা। দীর্ঘমেয়াদি এই বিবাদের জেরে দক্ষিণ এশিয়া এবং তার বাইরেও শআন্তি ও নিরাপত্তার উপর প্রভাব পড়েছে। পাকিস্তান আবারও বলছে, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ন্যায্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বের করতে হবে, যা রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের নীতি-নিয়ম এবং কাশ্মীরিদের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। দেখতে হবে কাশ্মীরিদের সিদ্ধান্তগ্রহণের অধিকার যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে'।
পাকিস্তান আরও লেখে, 'আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পাকিস্তান। আমেরিকা এবং আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে সেই নিয়ে কাজও করতে চায়। দুই দেশের সম্পর্ক আরও নিবিড় করতে চাই আমরা, বিশেষ করে, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে'।
আর পাকিস্তানের এই বিবৃতি দিল্লির অস্বস্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ দেশভাগের পর থেকে কাশ্মীর নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কখনও তৃতীয় কোনও পক্ষ প্রবেশ করতে পারেনি। কিন্তু গত কয়েক দিনে ঘটনাক্রম যেদিকে এগিয়েছে, তাতে আমেরিকা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় উঠে এসেছে। এমনকি ট্রাম্প আগ বাড়িয়ে কাশ্মীর নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, দিল্লির তরফে কেন তার বিরোধিতা করা হচ্ছে না, উঠছে প্রশ্ন।






















