Narendra Modi: নতুন বছরে ফের রাজ্য়ে প্রধানমন্ত্রী? কোথায় আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদি?
New Year 2026: ২০ ডিসেম্বর খারাপ আবহাওয়ায় রানাঘাটের সভায় যেতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে অডিও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

কলকাতা: এক মাসের মধ্যে নতুন বছরে ফের রাজ্য়ে প্রধানমন্ত্রী? সব কিছু ঠিকঠাক চললে, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সবুজ সংকেত পেলে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসেই পশ্চিমবঙ্গে আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।
২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনী উত্তাপ বাড়িয়ে ইতিমধ্যেই একবার রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য নদিয়ার তাহেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার নামতে পারেনি। কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরে আসেন মোদি। সেখান থেকে ভার্চুয়ালি জনসভা করেন।
তাঁকে ফের রাজ্যে আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। ১৮ জানুয়ারি মালদা আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন পেলেই সফরসূচি চূড়ান্ত হবে, খবর বিজেপি সূত্রে।
২০ ডিসেম্বর খারাপ আবহাওয়ায় রানাঘাটের সভায় যেতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে অডিও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
২০ ডিসেম্বর নদিয়ার তাহেরপুরে তুলকালাম পরিস্থিতি হয়। সভার আগেই ভিড়ের চোটে সভাস্থলে ঢোকা দায় হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রীর দর্শন পেতে ১ কিলোমিটার দূরের হেলিপ্যাডেও ভিড় জমিয়েছিলেন সমর্থকরা। তবে তাদের আশাভঙ্গ হয়। কুয়াশার জন্য তাহেরপুরে নামতে পারেনি মোদির কপ্টার। দৃশ্যমানতা কম থাকায় কলকাতায় ফিরতে হয় মাঝপথ থেকে। তারপর কথা হয়, সড়কপথে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে, সেই পরিকল্পনাও বাতিল করে SPG। শেষ পর্যন্ত কলকাতা বিমানবন্দর থেকেই ভার্চুয়াল সভা করেন প্রধানমন্ত্রী।
এই পরিস্থিতিতে বাঁধভাঙা পরিস্থিতি তৈরি হয়। আশাভঙ্গ হওয়ায় যেনতেনভাবে সভাস্থলে ঢোকার চেষ্টা করতে থাকেন সমর্থকরা। ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার উপক্রম হয়। ভিড় সামলাতে বেগতিক হাল হয়। পুলিশের কাছে ব্যারিকেড সরানোর দাবি করতে থাকেন সমর্থকরা। কার্যত তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভিভিআইপি গেট ও ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে যায়। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, শান্তনু ঠাকুর একবার সেখানে এলেও, আর কোনও বিজেপি নেতাকে সেখানে দেখা যায়নি। সেখানে উপস্থিত কেউ কেউ রাজ্য প্রশাসনের সাহায্যও চান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য। কিন্তু মরিয়া জনসাধারণকে সামলাতে হিমশিম খেয়ে যায় পুলিশ। পরে অবশ্য ভার্চুয়াল ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ' সবার প্রথম, আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি, যে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে আমি ওখানে আপনাদের মাঝে হাজির হতে পারলাম না। কুয়াশার কারণে ওখানে হেলিকপ্টার অবতরণের পরিস্থিতি ছিল না। এই কারণে আমি আপনাদের টেলিফোনের মাধ্যমে সম্বোধন করছি। '






















