School Wall Collapse: স্কুলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল দেওয়াল, চাপা পড়ে মৃত ৫ বছরের শিশু, একাধিক ভর্তি হাসপাতালে
ধসের কারণ এবং আহত শিক্ষার্থীদের অবস্থা সম্পর্কে আরও বিশদ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মর্মান্তিক ঘটনা একই স্কুলে। দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক ছোট্ট পড়ুয়ার। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলায় একটি স্কুলে। জানা গিয়েছে স্কুলের একাংশের একটি দেওয়াল ধসে পাঁচ বছর বয়সী এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও দশজন গুরুতর আহত হয়েছে। কাভাদি স্ট্রিটের কীর্তি ইংলিশ মিডিয়াম হাই স্কুলে এই ঘটনা ঘটে।
কর্তৃপক্ষের মতে, দেরি হওয়ার কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের বাইরে দাঁড়িয়েছিল। ঠিক সেই সময় হঠাৎ দেয়াল ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলেই পাঁচ বছর বয়সী রাকিব নিহত হয়। অন্য শিক্ষার্থীরা গুরুতর আহত হয় এবং তাদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ধসের কারণ এবং আহত শিক্ষার্থীদের অবস্থা সম্পর্কে আরও বিশদ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, এই বছরের জুন মাসে, কর্ণাটকের গদগ জেলার সরকারি উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণীকক্ষের ছাদ ধসে পড়ে , দুই ছাত্র এবং একজন শিক্ষক আহত হন। ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রী ভর্তি একটি কক্ষে স্কুল চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করেই পুরনো কংক্রিটের প্লাস্টারের সিলিংয়ের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। শিক্ষক এমডি ওন্টি মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং দুই শিক্ষার্থীও আহত হন।
ধসে পড়া অংশটি নীচের জরাজীর্ণ কংক্রিটের স্তর প্রকাশ করে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত চিত্রগুলিতে দুর্বল ছাদের ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মাঝখান থেকে ঝুলন্ত একটি সিলিং ফ্যান দেখা গেছে যা রক্ষণাবেক্ষণের অভাব প্রকাশ করে। স্কুলের অবনতির পরিমাণ দেখে মনে হচ্ছে আরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে কারণ অনেক ডেস্ক এবং বেঞ্চও ভেঙে পড়া ছাদের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণীকক্ষটি স্কুল ভবনের অংশ যা দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
কিছুদিন আগে ক্লাস চলাকালীন ভেঙে পড়ল স্কুলবাড়ির ছাদের চাঙড়। এই নিয়ে আতঙ্ক ছড়াল খড়গপুর শহরের সাউথ সাইড হিন্দি প্রাইমারি স্কুলে। দোতলা স্কুলবাড়ির ওপর তলার ভগ্নদশা একতলাতেই ক্লাস হয়। আজ সকালে ক্লাস চলাকালীন ছাদের চাঙড় ভেঙে বেঞ্চের ওপর পড়ে। পড়ুয়াদের গায়ে পাথর ছিটকে লাগে। কেউ আহত না হলেও আতঙ্ক ছড়ায়। গত এপ্রিল মাসে এই স্কুলেই
ক্লাস চলাকালীন ছাদের চাঙড় ভেঙে শিক্ষকের মাথায় পড়ে। টিচার ইনচার্জের দাবি, সেই সময় বিষয়টি প্রশাসনিক কর্তাদের। জানানোর পরেও স্কুলে মেরামতির কাজ এখনও শুরু হয়নি। এই অবস্থায় কীভাবে স্কুলে পঠন-পাঠন চালাবেন, তা ভেবে পাচ্ছেন না টিচার ইনচার্জ। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।






















