Shubman Gill on NEET Paper Leak Protest: প্রশ্ন-ফাঁস আন্দোলনে ছাত্রদের পাশে এবার শুভমন গিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় অধিনায়ক লিখলেন...
NEET Paper Leak Protest: ভারতীয় টেস্ট এবং ওয়ান ডে দলের অধিনায়ক শুভমন গিল মনে করেন শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রজন্মের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

নয়াদিল্লি: দিন দিন নয়াদিল্লিতে প্রশ্ন-ফাঁস ইস্য়ুতে (NEET Paper Leak Protest) আন্দোলনের ঝাঁঝ ক্রমশ বাড়ছে। ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের দাবিতে একে একে সচিন তেন্ডুলকর, সলমন খান, যুবরাজ সিংহ, শিখর ধবনার সোশ্যাল পোস্ট করেছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক শুভমন গিলও (Shubman Gill)।
ভারতীয় টেস্ট এবং ওয়ান ডে দলের অধিনায়ক শুভমন গিল মনে করেন শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রজন্মের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি সোশ্য়াল মিডিয়ায় লেখেন, 'নিজে একজন তরুণ ভারতীয় হিসাবে আমার মনে হয় শিক্ষা, স্বপ্ন দেখা এবং নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সমস্ত সুযোগ সুবিধা আমাদের প্রজন্মের পাওয়া উচিত। যে সকল তরুণরা শান্তিতে নিজেদের মতামত প্রকাশে, আওয়াজ তোলায় বিশ্বাসী, তাদের সকলকে আমি প্রচুর শ্রদ্ধা করি।'
আরও পড়ুন:- প্রশ্ন-ফাঁস ইস্য়ুতে আন্দোলনে উত্তাল রাজধানী, কালকের পর আজও একগুচ্ছ মেট্রো স্টেশন বন্ধের ঘোষণা
তিনি আরও যোগ করেন, 'শিক্ষাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ক্ষমতা রাখে। আমি আশা করছি সহানুভূতি, পারস্পরিক সম্মান এবং দেশের সকল ছাত্রের সেরাটা এবং ভারতের ভবিষ্যতের কথা হৃদয়ে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
গিলের ছাড়া গতকাল সচিন তেন্ডুলকরও কিন্তু অবশেষে নিট প্রশ্ন-ফাঁসে ছাত্রদের আন্দোলন নিয়ে মুখ খোলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা পোস্ট করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, তাঁর বাবা সব সময় শর্টকাটের বিপক্ষে ছিলেন। সচিন লিখেছেন, 'আমার বাবা ছিলেন একজন অধ্যাপক। তিনি অনেক কমবয়সী পড়ুয়ার মেন্টর, পথপ্রদর্শক ছিলেন। শুরুতেই তিনি যেটা শিখিয়েছিলেন, 'ব্যর্থ হলে ঠিক আছে। কিন্তু প্রতারণা কোনওভাবেই নয়। কখনও শর্টকাট নিও না।'
এখানেই শেষ নয়। সচিন সাফ লিখেছেন, 'সমাজে প্রাপ্তবয়স্ক হিসাবে আমাদের দায়িত্ব হল একটা সংস্কৃতি তৈরি করা। যে সমাজে প্রচেষ্টার চেয়েও ফলকে বেশি প্রাধান্য পায়, তারা মেধার চেয়ে শর্টকাটই বেশি করে খুঁজবে। আজ যখন ছাত্ররা বলছে যে তাদের পরিশ্রমের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে না, সেটা যথেষ্ট বোধগম্য। সমষ্টিগতভাবে আমাদের এমন কিছু করা উচিত যাতে ওদের এরকম অনুভূতি আর না হয়।'






















