Silkkim Fire : সিকিমে দাউদাউ করে জ্বলছে পাহাড়, বরফ নেই, শুধুই লেলিহান শিখা, এগোচ্ছে চিন সীমান্তের দিকে
Sikkim Forest fire : এইবার শীতে হিমালয় পর্বতমালা জুড়ে ব্যাপক তুষারপাত ঘটেনি। আবহাওয়াবিদদের ভ্রু কুঁচকেছে এই ঘটনায়।

সিকিম : দাউ দাউ করে জ্বলছে সিকিমের বিরাট এলাকা। ২ দিন ধরে কমছে না লেলিহান শিখার দাপট। একের পর এক গাছ জ্বলে পুড়ে খাক। ত্রস্ত বন্য জন্তুরা। পূর্ব সিকিমের ভারত-চিন সীমান্তে কুপুপ গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে ভয়ঙ্কর দাবানল । দুই দিন পরও এখনও জ্বলছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হল,এই এলাকার পাশেই চিন সীমান্ত ডোকলাম। সেখানে যদি ল্যান্ডমাইন থাকে, তা ফেটে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারে।
সিকিমের মতো এমন উচ্চ এলাকায় কীভাবে ছড়াচ্ছে আগুন?
সিকিমের এই এলাকাটা অপেক্ষাকৃত শুকনো। শুষ্ক শীতকালে বনে আগুন লাগার ঘটনা সাধারণ । কিন্তু সিকিমের মতো এমন উচ্চ এলাকায় এমন ঘটনা বিরল। উচ্চতায় আগুন লাগার ঘটনা বিরল। কুপুপ এলাকা ১৩,০০০ ফুট উচ্চতায়। এমন জায়গায় ঝোপঝাড়ই বেশি। প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে এই অঞ্চলটি সাধারণত বরফে ঢাকা থাকে। তবে এই শীত ব্যতিক্রম।
অভয়ারণ্যও এই আগুনে পুড়তে পারে
এইবার শীতে হিমালয় পর্বতমালা জুড়ে ব্যাপক তুষারপাত ঘটেনি। আবহাওয়াবিদদের ভ্রু কুঁচকেছে এই ঘটনায়। এবার হিমালয় জুড়েই অস্বাভাবিকভাবে শুষ্ক পরিস্থিতি, তুষারপাত কম। বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যও এই আগুনে পুড়তে পারে। এই সব এলাকায় পাওয়া যায় প্রায় বিরল তুষার চিতাবাঘ, লাল পান্ডা সহ অন্যান্য প্রাণী।
কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। বন দফতরের আধিকারিকরা মনে করেছেন, বহুদিন তুষারপাত না হওয়া এবং দীর্ঘ শুষ্ক আবহাওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতি। দিনে দিনে পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। একযোগে কাজ করছে বন বিভাগ, দমকল, ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা। একাধিক দল আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দিয়েছেন। আগুন এতটা ভয়াবহ হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণহানি হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে অভয়ারণ্য এবং সংরক্ষিত বন ক্ষতিগ্রস্ত
বিশেষজ্ঞদের হিসেব বলছে, এই অগ্নিকাণ্ডে অভয়ারণ্য এবং সংরক্ষিত বন উভয়েরই আনুমানিক ১১ থেকে ১২ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে । সর্বশেষ আগুন উপত্যকার বাম দিক জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ডান দিকে এগিয়ে চলেছে। রবিবার হেয়ারপিন সিল্ক রুট অঞ্চলের কাছে থাম্বি ভিউপয়েন্টেও আগুন ছড়ায়। বন দফতর যদিও তা নিভিয়ে ফেলেছে।





















