Uttar Pradesh News: অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ফেলে গায়েব স্বামী, আট বছর পর ইনস্টাগ্রাম রিলে মিলল দেখা, গ্রেফতার যুবক
Missing Husband Found on Reel: উত্তরপ্রদেশের হারদোই জেলার আতামাউ থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে।

লখনউ: প্রায় আট বছর ধরে নিখোঁজ স্বামী। নিজের ভাগ্যকে মেনেই নিয়েছিলেন স্ত্রী। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার রিলে সেই নিখোঁজ স্বামীকে দেখে নতুন করে সব ওলটপাল হয়ে গেল তাঁর। খোঁজ নিয়ে জানলেন, নিখোঁজ হয়ে যাওয়া স্বামী অন্যত্র সংসার পেতেছেন, তাঁকে ভুলে দিব্যি আছেন। ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। (Missing Husband Found on Reel)
উত্তরপ্রদেশের হারদোই জেলার আতামাউ থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। প্রায় আট বছর ধরে নিখোঁজ ছিলেন জিতেন্দ্র ওরফে বাবলু। ২০১৮ সালে আচমকাই গায়েব হয়ে যান। তাঁর স্ত্রী শীলু সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সেই সময় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল হয়। শীলুর পরিবার তাঁদের ছেলের ক্ষতি করে থাকবে বলে অভিযোগও তোলেন জিতেন্দ্রর বাড়ির লোকজন। (Uttar Pradesh News)
যদিও শীলুর দাবি ছিল, বিয়ের এক বছরের মধ্যেই অশান্তি শুরু হয় তাঁদের মধ্যে। পণের জন্য তাঁকে হেনস্থা করা হতো। সোনার চেন, আংটির জন্য চলত অত্যাচার। দাবি পূরণ না হওয়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরও করে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন শীলু। সেই নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করেন শীলুর বাপের বাড়ির লোকজন। সেই নিয়ে তদন্ত চলাকালীনই হঠাৎ গায়েব হয়ে যান জিতেন্দ্র। ছেলে নিখোঁজ বলে ২০১৮ সালের ২০ এপ্রিল অভিযোগও দায়ের করেন তাঁর বাবা। শীলুর পরিবার ছেলেকে হত্যা করে থাকতে পারে, দেহ গায়েব করে দিয়ে থাকতে পারে বলেও অভিযোগ করেন জিতেন্দ্রর বাবা।
A dramatic story from Hardoi, Uttar Pradesh, has captured public attention across India. After seven years of anguish believing her husband was missing, Shilu was stunned to see him alive appearing in viral reel.#feedmile #hardoi #uttarpradesh pic.twitter.com/zhKI9cuQDI
— Feedmile (@feedmileapp) August 31, 2025
সেই সময় জিতেন্দ্রর খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু জিতেন্দ্র সম্পর্কে কোনও তথ্যই পাওয়া যায়নি। কিন্তু সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের রিলে জিতেন্দ্রকে দেখতে পান শীলু। অন্য এক মহিলার সঙ্গে জিতেন্দ্রকে দেখে চিনতে পারেন তিনি। সেই মতো পুলিশে খবর দেন। আর তাতেই, আট বছর পর জিতেন্দ্রর নাগাল পেতে সফল হয় পুলিশ।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, গোটাটাই জিতেন্দ্রর পরিকল্পনা ছিল। বাড়ি থেকে পালিয়ে পঞ্জাবের লুধিয়ানায় আশ্রয় নেন তিনি। অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করে সংসার পাতেন, নতুন জীব শুরু করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল বানাতে গিয়েই ধরা পড়ে গেলেন শেষ পর্যন্ত। সান্দিলার সার্কল অফিসার সন্তোষ সিংব জানিয়েছেন, শীলুর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামেন তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করেন। শে, পর্যন্ত জিতেন্দ্রর নাগাল মিলেছে। হেফাজতে রয়েছেন তিনি। জালিয়াতি, দুই মহিলাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করা এবং পণের জন্য অত্যাচারের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।






















