India-Pakistan Conflict: গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করছে পাকিস্তান, চিন ছাড়াও অন্য দেশ থেকে আসছে সামগ্রী, বলছে আমেরিকার রিপোর্ট
US Defense Intelligence Agency: আমেরিকার DIA রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের অস্ত্রভাণ্ডারে যেহারে অস্ত্রশস্ত্র যোগ হচ্ছে, তাতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে।

নয়াদিল্লি: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্য়ে সংঘাতে আপাতত বিরতিপর্ব চলছে। সেই আবহেই আমেরিকার ডিফেন্স ইনটেলিজেন্স এজেন্সি (DIA)-র রিপোর্ট ঘিরে উদ্বেগ বাড়ল। পাকিস্তানের সামরিক শক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে ওই রিপোর্টেও। বলা হয়েছে, ভারতকে বিপদ হিসেবে দেখে পাকিস্তান। অস্তিত্ব সঙ্কটে ভোগে তারা। যে কারণে পরমাণু শক্তি ক্রমশ বাড়িয়ে চলেছে ইসলামাবাদ। চিনের সঙ্গে তাদের সামরিক সম্পর্ক অটুট রয়েছে। পাশাপাশি, গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্রের উপকরণও জোগাড় করছে বিদেশ থেকে। (India-Pakistan Conflict)
আমেরিকার DIA রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের অস্ত্রভাণ্ডারে যেহারে অস্ত্রশস্ত্র যোগ হচ্ছে, তাতে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের দিকে আগামী বছরও নজর থাকছে পাক সেনার। পাশাপাশি, তাদের নজর রয়েছে বালুচিস্তানের দিকে। সেখানে তেহরিক-ই তালিবান এবং বালুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাকামী সশস্ত্র সংগঠনের কাজকর্মে নজর রাখছে তারা। সন্ত্রাসদমনের পাশাপাশি, পরমাণু শক্তির আধুনিকীকরণকে এই মুহূর্তে প্রাধান্য দিচ্ছে পাকিস্তানি সেনা। (US Defense Intelligence Agency)
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতকে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করে পাকিস্তান। তাই সামরিক আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে। এমনকি পরমাণু কেন্দ্রের কাছাকাছি জায়গায় যুদ্ধক্ষেত্র গড়ে তোলার দিকেও ঝুঁকেছে, যাতে ভারতের মোকাবিলা করা সহজ হয়। মূলত চিনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক এবং সামরিক সাহায্য় পায় পাকিস্তান। চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে প্রতিবছর নিয়ম করে মহড়াও দেয়। গত বছর নভেম্বরেই দুই দেশের বায়ুসেনা আকাশে মহড়া দিয়েছিল। চিনের থেকে প্রযুক্তি ও উপাদানের সরবরাহ আসছেই, সেই সঙ্গে হংকং, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকেও সরবরাহ ঢুকছে পাকিস্তানে।
সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, পাকিস্তানের কাছে প্রায় ১৭০টি ওয়ারহেড রয়েছে। কিন্তু পরমাণু অস্ত্রকে আরও বর্ধিত ও আধুনিক করে তুলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা। ১৯৯৯ সালে DIA-র তরফে বলা হয়েছিল, ২০২০ নাগাদ পাকিস্তানের হাতে ৬০-৮০টি ওয়ারহেড থাকতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তার প্রায় তিন গুণ বেশি ওয়ারহেড বানিয়ে ফেলেছে পাকিস্তান। এভাবে চললে ২০২৫ সাল নাগাদ তাদের হাতে থাকা ওয়ারহেডের সংখ্যা বেড়ে ২০০ হতে পারে।
পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে উদ্বেগের আরও একটি কারণ হল, বিষয়টি নিয়ে তাদের রাখঢাক। সরকারি ভাবে কোনও পরিসংখ্যানই প্রকাশ করেনি তারা। ফলে তাদের সামরিক এবং পরমাণু শক্তি নিয়ে যে তথ্য় মেলে, তাতে অনেক কিছু বাদ রয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্রের থেকে পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার পৃথক রেখেছে পাকিস্তান। ভারতও পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র। কিন্তু প্রথম পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার নীতি নিয়েছে ভারত। পাকিস্তান তেমন কোনও শপথ নেয়নি।






















