Uttarakhand News: ১৪ বছর পর পশুবলি ফিরল এই ধর্মীয় উৎসবে, তাও হাইকোর্টের নির্দেশে, ক্ষুব্ধ সমাজকর্মীরা
Goat Sacrifice in Nanda Devi Festival: আদালতের এই রায়ে প্রায় ১৪ বছর পর নৈনিতালের নন্দাদেবী নয়নাদেবীর মন্দিরকে ঘিরে আয়োজিত নন্দাদেবী উৎসবে পশুবলির অনুমতি মিলল।

নয়াদিল্লি: ধর্মীয় উৎসবে পশুবলির অনুমতি দিল আদালত। নন্দাদেবী উৎসব ঘিরে পশুবলিতে অনুমতি দিল উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। পশুবলি ছাড়া দেবীর আরধনা অসম্পূর্ণ বলে লাগাতার আবেদন জানিয়ে আসছিলেন মামলাকারীরা। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে, ‘জনস্বার্থে’ পশুবলিতে অনুমতি দিল আদালত। (Uttarakhand News)
আদালতের এই রায়ে প্রায় ১৪ বছর পর নৈনিতালের নন্দাদেবী নয়নাদেবীর মন্দিরকে ঘিরে আয়োজিত নন্দাদেবী উৎসবে পশুবলির অনুমতি মিলল। তবে মন্দির চত্বরে নয়, কিছুটা দূরে পুরসভার কসাইখানায় ছাগল বলি দেওয়া যাবে বলে জানাল আদালত। মন্দির চত্বরে আগের মতোই পশুবলি করা যাবে না। (Goat Sacrifice in Nanda Devi Festival)
২৯ অগাস্ট থেকে নন্দাদেবী উৎসব শুরু হয়েছে, আর ওই দিনই আদালত পশুবলিতে অনুমোদন দিল। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই উৎসব চলবে। পশুবলিকে আরাধনার অংশ হিসেবেই দেখেন স্থানীয়রা। যদিও ২০১১ সালে সেখানে পশুবলি নিষিদ্ধ করে হাইকোর্ট। ২০১৫ সালে নতুন আবেদন জমা পড়লেও, আগের নির্দেশই বহাল ছিল। ২০১৬ সালে মন্দিরের ভিতরে অন্য জায়গায় ছাগল নিয়ে ঢোকায় সায় দিলেও, মন্দিরচত্বরে, দেবীমূর্তির ধারেকাছে তা নিষিদ্ধই ছিল।
Uttarakhand HC, while hearing a PIL on animal sacrifice during the Nanda Devi festival at Naina Devi temple, has allowed goat slaughter at the municipal abattoir but retained the ban on sacrifice within temple premises. [Source: @timesofindia] #Uttarakhand #HighCourt pic.twitter.com/Jr7Kxlt6YF
— Ambica Deshmukh (@theambica) August 30, 2025
শুক্রবার শুনানি চলাকালীন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জি নরেন্দ্র এবং বিচারপতি সুভাষ উপাধ্যায় জানান, পুরসভাকে জায়গা বেছে দিতে হবে। দূষণ পর্ষদকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেটও দিতে বলা হয়। আদালত জানায়, পুলিশি নিরাপত্তায় ছাগলগুলিকে মন্দির চত্বরে আনতে হবে। আচারানুষ্ঠান মিটে গেলে বলির জন্য পাঠিয়ে দিতে হবে কসাইখানায়। নিয়ম ঠিকঠাক পালন হচ্ছে কি না, তা দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয় ফুড ইনস্পেক্টরকে।
যদিও সমাজকর্মী এবং পশু-অধিকার কর্মীরা আদালতের এই নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাঁদের মতে, পশুবলি বন্ধ করতে মানুশকে শিক্ষিত করে তোলা উচিত। কুসংস্কার থেকে সকলকে বের করে আনতে উদ্যোগী হতে হবে সকলকে। তা না করে উল্টোটা হচ্ছে বলে মত তাঁদের। পশুকল্যাণ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত গৌরী মৌলেখি জানিয়েছেন, পশুবলিতে আসলে পরিবেশেরই ক্ষতি। তবে এই রায়ের মাধ্যমে মানুষের আবেগ এবং পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ, দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা হয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।






















