Abhijeet Dipke : CJP-এর ভবিষ্যৎ কী ? অভিজিৎ দীপক রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন ? বড় তথ্য ফাঁস করলেন নিজেই
Cockroach Janata Party : রাজনীতিতে প্রবেশ করছে CJP ? সংশোধনী বিল, পেলেট গানের ব্যবহার এবং রাহুল গান্ধীর সম্পর্কে কী মত অভিজিৎ দীপকের ?

দিল্লি: সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধের সংশোধনী বিল, ছাত্র বিক্ষোভ এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে খোলাখুলিভাবে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। অভিজিৎ বলেন, এই বিলটি প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিরোধের চেয়ে ফাঁসের পরবর্তী পদক্ষেপের উপর বেশি নজর দিয়েছে। তিনি বলেন যে, এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল এই ধরনের ঘটনাকে প্রতিরোধ করা। কিন্তু সরকার এমন একটি আইন প্রণয়ন করেছে যা ফাঁসের পরে শাস্তি এবং পদক্ষেপের উপর জোর দেয়। কিন্তু এবার CJP-এর ভবিষ্যৎ কী? কোন পথে এগোবেন? তাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন দীপক।
রাজনীতিতে প্রবেশ করছে CJP ?
অভিজিৎ দীপক স্পষ্ট বলেন, এই আন্দোলন কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থন পায়নি, বরং ছাত্র-ছাত্রী, সাধারণ জনগণ এর সমর্থন করেছেন। তিনি কোনও রাজনৈতিক দল গঠন করবেন না এবং একটি গোষ্ঠী হিসেবেই ছাত্র ও যুবকদের সমস্যা তুলে ধরবেন তিনি। তাঁর আন্দোলন সর্বদা গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ হবে।
সংশোধনী বিলের বিষয় নিয়ে দীপকের প্রতিক্রিয়া
অভিজিৎ দীপকেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে সংসদে পাস হওয়া ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস সংশোধনী বিল’টি প্রয়োজনীয় কিনা এবং এটি সত্যিই কাগজপত্র ফাঁস রোধ করতে পারবে কিনা। তিনি উত্তরে বলেন যে, বিলটি সম্পর্কে তিনি যা বুঝেছেন, তাতে এটা স্পষ্ট যে এটি প্রশ্ন ফাঁস রোধ করার জন্য তৈরি করা হয়নি, বরং কাগজপত্র ফাঁসের পরে কী করা হবে, তা নির্ধারণ করার জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন যে জেলের সাজা চার বছর থেকে বাড়িয়ে দশ বছর করা হয়েছে এবং জরিমানাও বাড়ানো হয়েছে। এতে বোঝা যায় যে, সরকার ধরেই নিচ্ছে যে কাগজপত্র ফাঁস অনিবার্যভাবে ঘটবেও তিনি বলেন যে তাঁর প্রতিবাদের লক্ষ্য ছিল কাগজপত্র ফাঁস পুরোপুরি বন্ধ করা, কিন্তু এই বিলের মূল লক্ষ্য হলো পরবর্তী পদক্ষেপ। তিনি সরকারের উদ্দেশ্য নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের কথা বলেছিলেন এবং এতে জনগণ খুশিও হয়েছিল, কিন্তু সিবিআই-এর অনুপস্থিতির কারণে প্রথম শুনানি স্থগিত করা হয়। তিনি বলেন যে সরকারের উদ্দেশ্য যদি দৃঢ় না হয়, তবে কোনও আইনই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে না।
পেলেট গানের ব্যবহার এবং রাহুল গান্ধীর সম্পর্কে কী মত ?
পেলেট গানের ব্যবহার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবিতে রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে জনগণের ক্ষোভ প্রশমিত হয়েছে বলে সরকারের ধরে নেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, জনগণের ক্ষোভ কেবল একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নয়, বরং পুরো সরকারের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা এই ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো যদি প্রত্যাহার না করা হয় এবং তাদের হয়রানি অব্যাহত থাকে, তবে বিক্ষোভকারীদের আবারও রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না। তিনি দাবি করেন, সরকার যেন সকল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে নেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে যেন কোনও পুলিশি ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।























