মোদীর নোট বাতিল ‘অত্যাচার’! বলল মার্কিন সংবাদপত্র

নিউ ইয়র্ক: নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিলের কড়া সমালোচনা নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর সম্পাদকীয়তে। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ধাক্কায় ভারতীয় অর্থনীতি 'মার খাচ্ছে' বলে অভিমত জানিয়েছে মার্কিন সংবাদপত্রটি।
'দি কস্ট অব ইন্ডিয়াস ম্যান মেড কারেন্সি ক্রাইসিস' শিরোনামে ওই সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, নোট বাতিলের ফলে দুর্নীতি রোধে সাফল্য এসেছে বা ভবিষ্যতে আরও নগদ টাকা বাজারে আসার পরও এতে দুর্নীতি ঠেকানো যাবে, এমন প্রমাণ খুবই কম। ভারত সরকারের আচমকা বাজার থেকে বহুল ব্যবহৃত নোট বাতিলের দু মাস বাদে নির্মাণ শিল্প সংকোচনের মুখে, রিয়েল এস্টেট, গাড়ি বিক্রি নিম্নমুখী। খেতমজুর, দোকানদার ও অন্যান্যরা ক্ষুব্ধ কেননা নগদের ঘাটতি তাঁদের চরম সমস্যায় ফেলেছে।
সম্পাদকীয়তে আরও বলা হয়েছে, নোট তুলে নেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া ও কার্যকর করা হয়েছে স্বেচ্ছাচারীর মতো। নগদ জমা দিতে, তুলতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে ভারতবাসীকে। সরকার আগে থেকে বেশি ছাপায়নি, তাই আকাল নতুন নোটের। নগদ ঘাটতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ছোট শহরগুলিতে, গ্রামে।
মার্কিন সংবাদপত্রটির মতে, কোনও অর্থনীতিই মানুষকে বড় সমস্যায় না ফেলে মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কালো টাকা মুক্ত হতে পারে না, বিশেষ করে ভারতের মতো দেশে, যেখানে প্রায় ৯৮ শতাংশ লেনদেনই চলে নগদ অর্থে। ক্রমশ বেশি মানুষের হাতে ডেবিট কার্ড, সেলফোন আসছে বটে, যা দিয়ে টাকা হস্তান্তর করা যায়, কিন্তু অধিকাংশ ব্যবসায়ই এধরনের ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে লেনদেন করার মতো ব্যবস্থা নেই। ভারতের অনেক মানুষ বলছেন, তাঁরা দুর্নীতির মোকাবিলায় কিছুটা যন্ত্রনা সইতে রাজি। কিন্তু নগদের ঘাটতি চলতেই থাকলে তাঁদের ধৈর্য্য বেশিদিন অটুট থাকবে না। দুর্নীতি, কর ফাঁকি ঠেকাতে নোট বাতিল করে খুব কমই ফল পাওয়া যায়। আগেই কথাটা বলেছিলেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
Before You Go
Shyama Prasad Mukherjee : শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু দিবসে তৃণমূলকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর
সেরা শিরোনাম






















