Elephant Stolen and Sold: কোটি টাকার হাতি চুরি করে ২৭ লাখে বিক্রি, মাইক্রো চিপের সাহায্য়ে ধরা গেল শেষে
Viral News: হাতিটিকে উদ্ধার করতে তদন্তে নামে পুলিশ।

রাঁচি: মরা হাতির দাম লাখ টাকা। তাই বলে কি জীবন্ত হাতির দাম কম? একেবারেই নয়। কিন্তু হিসেব নিকেশে কাঁচা হলে ৪০ লাখে কেনা হাতি ২৭ লাখে বিক্রি হয় বইকি! এই দেশেই এমন ঘটনা ঘটল। ঝাড়খণ্ড থেকে ৪০ লক্ষ টাকায় কেনা হাতি চুরি করে, সেটিকে ২৭ লক্ষ টাকায় বিক্রির ঘটনা সামনে এল। (Elephant Stolen and Sold)
উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের বাসিন্দা নরেন্দ্রকুমার শুক্ল প্রথম হাতিচুরি যাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। মেদিনীনগর সদর থানায় গত ১২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। জানান, মাহুত-সহ তাঁর মালিকানাধীন একটি স্ত্রী হাতি চুরি গিয়েছে, যার নাম ‘জয়ামতী’। নরেন্দ্রকুমার জানান, ব্যবসায়িক তিন পার্টনারের সঙ্গে মিলে হাতিটি ৪০ লক্ষ টাকায় কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু মাহুতের সঙ্গে ষড় করে হাতিটিকে গায়েব করে দিয়েছেন বাকিরা। (Viral News)
পার্টনারদের সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছিল নরেন্দ্রকুমারের। সেই কারণেই হাতিটিকে গায়েব করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, আমনউরের বাসিন্দা গোরক্ষ সিংহকে হাতিটি বিক্রি করা হয়েছে, তাও মাত্র ২৭ লক্ষ টাকায়। যদিও পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, বর্তমানে হাতিটির বাজারমূল্য় প্রায় ১ কোটি টাকা।
https://t.co/piuYx97xjq
— Jharkhand City News (@RakeshK52434581) September 30, 2025
पलामू से चोरी हुई ₹27 लाख की हथिनी ‘जयमति’ बिहार के छपरा से बरामद, महावत ने बेचा था pic.twitter.com/eV5GDv5qZm
হাতিটিকে উদ্ধার করতে এর পর তদন্তে নামে পুলিশ। গোপন সূত্রে পুলিশ জানতে পারে হাতিটিকে অন্যত্র সরানো হচ্ছে। সেই মতো সূত্র মারফত হাতিটির শরীরে একটি চিপ সেঁটে দেওয়া হয়। সেই মতো ট্র্যাক করে বিহারের ছাপরায় পৌঁছয় পুলিশ। বন দফতরের স্থানীয় আধিকারিকদের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয় হাতিটিকে।
এই ঘটনায় ভারতীয় ন্য়ায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগকারীর পার্টনার এবং মাহুতের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আপাতত হাতিটিকে অন্তর্বর্তী হেফাজতে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন সেখানেই থাকবে হাতিটি।
হাতি চুরির দায়ে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে এই ঘটনায় ফের একবার বন্যপ্রাণী পাচারের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। বেআইনি পথে কীভাবে হাতিটিকে তিন রাজ্যের সীমানা পার করানো হল, কেন কারও চোখে পড়ল না, উঠছে প্রশ্ন। দেশে কড়া আইন থাকা সত্ত্বেও বন্যপ্রাণী কেনাবেচার এই রমরমা কী ভাবে হয়, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীই বা হাতিটি কিনলেন কী ভাবে, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।






















