Panchayat Scam: ১২,৫০০ টাকার ইঁটে ১ লক্ষ ২৫ হাজারের বিল ! ২ পাতার ফোটোকপির বিল ৪ হাজার ! মধ্যপ্রদেশের গ্রাম পঞ্চায়েতে চরম দুর্নীতি
Madhya Pradesh Panchayat Bill Viral: বুধার ব্লকের ভাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ১.২৫ লক্ষ টাকার একটি ইঁটের বিল গৃহীত হয়েছে। যেখানে ২৫০০টি ইঁটের দাম ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। দশগুণ দাম ধরা হয়েছে ইঁটের।

মধ্যপ্রদেশ: মধ্যপ্রদেশের শাহদোল জেলার গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি বিল সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। গণিতের কৃতিত্ব নাকি দুর্নীতি, কী বলবেন একে ? নেটিজেনরা অনেকেই তা ধরতে পারছেন না। আর এই সব কিছুর মূলে রয়েছে ইঁট। বুধার ব্লকের ভাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ১.২৫ লক্ষ টাকার একটি ইঁটের বিল গৃহীত হয়েছে। যেখানে ২৫০০টি ইঁটের দাম ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা, অথচ প্রতিটি ইঁটের দাম লেখা রয়েছে ৫ টাকা। অর্থাৎ একেকটা ইঁটের দাম দশগুণ বাড়িয়ে ধরা হয়েছে বিলে।
জানা গিয়েছে এই ইঁট কেনার বিলটি পেরিবাহারা গ্রামের চেতন প্রসাদ কুশওয়াহার নামে করা হয়েছে, আর পাটেরা টোলায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য এই ইঁট কেনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিলে ভাটিয়া গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধান ও সচিবের স্বাক্ষরও রয়েছে। এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন কিছু নয়।
মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে দুই পাতার ফোটোকপির জন্য ৪ হাজার টাকা মঞ্জুর করার পরে কুদ্রি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়। এর আগে জুলাই মাসে ভাধওয়াহি গ্রামে বিল অনুযায়ী এক ঘণ্টার জল গঙ্গা সম্বর্ধন অভিযানের সময় ১৪ কেজি ড্রাই ফ্রুট, ৩০ কেজি খাস্তা, ৯ কেজি ফল খাওয়া হয়। এই সমস্ত কিছু বিল যে যে দোকানের নামে জারি করা হয়েছে সেই দোকানগুলিও কেউ চেনে না। কেউ নামও শোনেনি কখনও।
কাজু ও বাদাম সরবরাহকারী হিসেবে একটি মুদির দোকান এমন একটি সামান্য ঠেলাগাড়িতে পরিণত হয়েছিল যার কোনও বিল বই নেই, জিএসটি নম্বর নেই। সেখানে এক কেজি ড্রাই ফ্রুটও মজুত ছিল না। ঘি আর ফলের আরেকটি বিল অন্য আরেক দোকান থেকে আনা হয়েছে আর সেই দোকানে আসলে ইঁট, বালি, সিমেন্ট বিক্রি হয়। আর এই ড্রাই ফ্রুট বিল নিয়ে কেলেঙ্কারির ঘটনা কমে আসতে শুরু করার মুহূর্তেই মৌগঞ্জ জেলায় আরেকটা ঘটনা ঘটে।
সেখানেও দেখা যায় একইভাবে ৪০ মিনিটের জল গঙ্গা সম্বর্ধন অভিযানের খরচ হয়েছিল ১০ লক্ষ টাকারও বেশি। প্রদীপ এন্টারপ্রাইজেস নামে একটি অচেনা দোকানের নামে বিল করা হয়েছিল সেখানে যাতে মুদিখানার সামগ্রী থেকে শুরু করে তাঁবু, মিষ্টি এমনকী একটি ইলেকট্রনিক দোকান এবং ভাড়া করা গদি ও বিছানার চাদরও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
শাহদোলের কালেক্টর ড. কেদার সিং স্বীকার করেছেন যে কিছু একটা ভুল হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তিনি ক্লাস্টার স্তরের কর্মকর্তাদের প্রতিদিন ১০-১২টি পঞ্চায়েত পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে বোঝা যায় এই বিলগুলি অবহেলার কারণে নাকি ইচ্ছাকৃত জালিয়াতির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।






















