Viral News: ৫০ বছর বয়সী পুরুষের জন্য গর্ভ ভাড়া দিলেন এই কিশোরী, যমজ সন্তানের জন্ম দিতেই পেলেন বড় উপহার
Viral News: ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে এই কিশোরী যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম দেন গুয়াংঝু প্রদেশে। যখন তাঁর শরীরে ভ্রূণ স্থানান্তর করা হচ্ছিল তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর।

Surrogacy: ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির জন্য নিজের গর্ভ ভাড়া দিলেন ১৭ বছরের এক কিশোরী। আশ্চর্য ঘটনা। এই কিশোরী নিজে একজন সারোগেট মাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং নিজের গর্ভ ভাড়া দিয়েছেন সেই ব্যক্তিকে (Viral News) আর সেই গর্ভে জন্ম দিয়েছেন একজোড়া যমজ পুত্রের। আর এই আনন্দ সংবাদেই সেই কিশোরীকে (Surrogacy) ৯ লক্ষ ইউয়ান অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি টাকা বকশিশ দিয়েছেন সেই ব্যক্তি। সমাজমাধ্যমে সাড়া ফেলেছে এই ঘটনা।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ মার্চ সমাজমাধ্যমে শেঙ্গুয়ান জেনগি নামের এক মহিলা পাচার-বিরোধী সক্রিয় কর্মী এই পোস্ট শেয়ার করেছেন। এই পোস্ট থেকে জানা যায়, চিনের Yi সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অন্তর্গত এই কিশোরী, গুয়াংঝুর দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দা। একটি এজেন্সির মাধ্যমে তিনি সারোগেট মাদার হিসেবে একজোড়া যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। আর একইসঙ্গে তাঁর পোস্টের যাথার্থ প্রমাণ করতে সন্তানদের জন্মের শংসাপত্র এবং সারোগেসি সংক্রান্ত অন্য বেশ কিছু নথি তিনি জুড়ে দিয়েছিলেন পোস্টের সঙ্গে।
রিপোর্ট অনুসারে, দক্ষিণ-পূর্ব চিনের সিচুয়ান প্রদেশের লিয়াংশান স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের বাসিন্দা এই মেয়েটির জন্ম হয় ২০০৭ সালের মে মাসে। ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে এই কিশোরী যমজ পুত্রসন্তানের জন্ম দেন গুয়াংঝু প্রদেশে। যখন তাঁর শরীরে ভ্রূণ স্থানান্তর করা হচ্ছিল তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। এই পুত্রসন্তানের বাবার পদবি লং, দক্ষিণ-পূর্ব চিনের জিয়াংঝি প্রদেশের এক ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তি তিনি। গুয়াংঝুর একটি চিকিৎসা পরিষেবা কেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন এই ব্যক্তি যেখানে তাঁর জন্য সারোগেসির পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল ৮৬ লক্ষ টাকা। এমনকী চুক্তিতে ঠিক হয়েছিল সেই ব্যক্তির যমজ পুত্রসন্তান চাই।
যে কিশোরীর গর্ভে সন্তানের জন্ম হয়, তাঁকে লং নামের সেই ব্যক্তি নিজের স্ত্রী হিসেবে ভুয়ো পরিচয় দিয়ে সন্তানদের জন্মের শংসাপত্র এবং ঘরোয়া রেজিস্ট্রেশন বা নাম নথিভুক্তকরণ করেছিলেন। এর জন্য সেই এজেন্সিকেই ১ কোটি টাকা দিয়েছিলেন সেই ব্যক্তি। কিন্তু এর থেকে ঠিক কত টাকা সেই কিশোরীর কাছে সরাসরি পৌঁছেছে তা জানা যায়নি। গুয়াংঝুর মিউনিসিপ্যাল হেলথ কমিশন এই বিষয়ে তদন্ত করেছে। চিনে যদিও সারোগেসি নিষিদ্ধ নয়, তবে বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে এই কাজে।






















