এক্সপ্লোর
Christmas 2021: কারও বয়স সাড়ে ৩৫০, কেউ ৩০০ ছুঁইছুঁই, বড়দিনে ঢুকে পড়ুন প্রাচীনতম এই গির্জাগুলিতে
Untitled_design_(2)
1/11

ব্যান্ডেল চার্চ: পর্তুগিজ স্থাপত্যের নিদর্শন। ১৬৬০ সালে নির্মিত হয়। স্কুলে থেকে হোক বা পরিবারের সঙ্গে, বাংলার অধিকাংশ মানুষ একবার হলেও, এই গির্জা ঘুরে দেখেছেন।
2/11

এই বড়দিনে সেই ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখতে পারেন। বাংলার ইতিউতি ছড়িয়ে থাকা এমনই কিছু গির্জার সন্ধান রইল।
3/11

সেন্ট অ্যান্ড্রুজ চার্চ: কলকাতার একমাত্র স্কটিশ গির্জা। ১৮১৫ সালে নির্মিত হয়। ১৮১৮ সালে খুলে দেওয়া হয় সর্বসাধারণের জন্য। কলকাতার অন্যতম দর্শনীয় স্থান।
4/11

অসমন্ড মেমোরিয়াল চার্চ: ১৯৬৮ সালে নির্মিত। ওয়াল্টার অসমন্ড সেটি তৈরি করেন বলে তাঁর নামেই নামকরণ। আজীবন দরিদ্র এবং দুঃস্থদের জন্য কাজ করে যান ওয়াল্টার অসমন্ড।
5/11

চার্চ অফ লর্ড জিসাস: কলকাতার তালতলায় অবস্থিত এই ক্যাথলিক গির্জা। এখানে জিশুর আরাধনা হয় বাংলাতেই। ঔপনিবেশিক নির্মাণের অন্যতম নিদর্শন।
6/11

সেন্ট টমাস চার্চ: অন্যতম জনপ্রিয় গির্জা। ঝাঁ চকচকে পার্কস্ট্রিট এলাকায় ইতিহাসের চিহ্ন রূপে মাথা তুলে রয়েছে। সমাধিস্থ করার আগে, ১৯৯৭ সালে এই গির্জাতেই শায়িত ছিল মাদার টেরেসার দেহ।
7/11

সেন্ট জনস চার্চ: কলকাতাকে রাজধানী ঘোষণার পর প্রথম যে নির্মাণকাজে হাত দেয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, তা হল এই গির্জা। লটারির মাধ্যমে টাকা তুলে ১৭৮৭ সালে এই গির্জার নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়।
8/11

সেন্ট জেমস চার্চ: ১৮৬২ সালে নির্মাণ শুরু করেন বাংলার তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর । এটিও মধ্যযুগীয় স্থাপত্যের নিদর্শন।
9/11

আর্মেনিয়ান চার্চ অব হোলি নাজারেথ: বড়বাজারের কাছে অবস্থিত এই গির্জা নির্মিত হয় ১৭২৪ সালে। প্রাচীনতম আর্মেনীয় অ্যাপোস্টলিক গির্জা এটি। এর অন্দরসজ্জা আজও তাক লাগায় সকলকে।
10/11

ক্রাইস্ট দ্য কিং চার্চ: সমস্ত সমস্যা থেকে দূরে, একটু শান্তিতে সময় কাটাতে চাইলে আগু পিছু না দেখে ঢুকে পড়ুন। অনুষ্ঠানের জন্য এই গির্জার হল ভাড়া দেওয়া হয়।
11/11

চন্দননগর গির্জা: ফরাসি আমলে ১৮৮৪ সালে নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়। হোলি গেট থেকে সামান্য দূরে। ব্রিটিশ স্থাপত্যের অন্যতন নিদর্শন।
Published at : 22 Dec 2021 08:58 PM (IST)
আরও দেখুন
Advertisement
Advertisement























