কোনও বিরতি নেই। একটানা ২০ বছর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে রয়েছেন তিনি। ৭ অক্টোবর ২০০১ থেকে ৭ অক্টোবর ২০২০। তিনি নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি।
2/17
গুজরাতের বিধানসভা নির্বাচনে পরপর ৩ বার জয় পেয়েছেন। ২০০২, ২০০৭, ২০১২ তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন পশ্চিমের এই রাজ্যে।
3/17
তবে ২০০১ সালের সাত অক্টোবর তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপর ইতিহাস।
4/17
২০১৩ সালে তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করে দল।
5/17
বিজেপি নেতৃ্ত্বাধীন এনডিএ –র তিনিই ছিলেন মুখ। ঘরে-বাইরে তখন তুঙ্গে মোদির জনপ্রিয়তা।
6/17
কিন্তু তাকে মিথ্যা প্রমাণ করেন মোদি। আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ফিরে আসে বিজেপি।
7/17
২০১৪ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার পরাজিত হয়। ২০১৯ সালে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেছিলেন মোদি হাওয়া আগের মতো ততটা জোরালো নেই।
8/17
ফলে ২০০১ থেকে টানা তিনবার গুজরাত সরকারের প্রধান হিসেবে এবং ২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান হিসেবে টানা ক্ষমতায় রয়েছেন মোদি।
9/17
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ওয়েবসাইটে আজ লেখা হয়েছে, ১৩০ কোটি ভারতবাসীর আশা-আকাঙ্খা পূরণে মন দিয়েছেন মোদি। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল, অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাস, কৃ্ষি্ ক্ষেত্র, কয়লা ক্ষেত্রে সংস্কার, কর সংস্কার, বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরস্কার –সহ আরও নানান কাজ করেছেন।
10/17
ওই নিবন্ধে লেখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদি বরাবর জনগণের স্বার্থরক্ষার কথা ভাবেন।
11/17
নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডল থেকে তিনি লেখেন, ’’ভারতের ইতিহাসে ৭ অক্টোবর খুব গুরুত্বপূর্ণ দিন।এই দিনে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেদিন থেকেই জনগণ ও দেশের সেবায় মাইলস্টোন সংযোজিত হয়েছে। কোনও থামা নেই। বিশ্রাম নেই। মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন তিনি। ২০ -তম বছর নমোর।‘‘
12/17
আর সেটা নিশ্চিত করতে গিয়ে জনধন যোজনা, জন সুরক্ষা যোজনা, উজালা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সহ একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করেছেন।
13/17
সাল ২০০১। তেমনভাবে প্রচারের আলোয় নেই তিনি। ছবিটা আচমকা বদলে দিল গুজরাতের ভুজে ভূমিকম্প। ত্রাণ বিলি, উদ্ধার কাজ, পুনর্গঠনে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া মানুষটি জনসমর্থনের ভিত তৈরি করলেন।
14/17
করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতিতেও তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি, খাদ্যশস্য সরবরাহ, কৃষক, পরিযায়ী শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে মোদির সরকার।
15/17
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ওয়েবসাইটে আত্মনির্ভর ভারত-এর প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।
16/17
প্রধানমন্ত্রীর সফল যাত্রাপথের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে ছত্রে ছত্রে।