এদিন বাহিনীর আঞ্চলিক কম্যান্ডার আইজি কে আর নটিয়াল জানান, জলপথ নিরাপত্তায় মৎস্যজীবীরা হলেন যে উপকূলরক্ষী বাহিনীর চোখ ও কান।
2/9
এই র্যালির মাধ্যমে সদস্যরা সেই প্রশিক্ষণ দেবেন মৎস্যজীবীদের। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় উপকূলবর্তী গ্রামগুলিতে গিয়ে সেখানে মেডিক্যাল ক্যাম্প করবে। এর জন্য এই দলে চিকিৎসকদেরও রাখা হয়েছে।
3/9
কিন্তু, এর পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মধ্যেও নাশকতা সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। বিশেষ করে উপকূলবর্তী অঞ্চসে বসবাসকারী মানুষের মধ্যে।
4/9
বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধান জানান, অতীতে জলপথ দিয়ে জঙ্গিরা এদেশে এসে হামলা চালিয়েছে। তার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেই জন্য সদা-সজাগ উপকূলরক্ষী বাহিনী। তারা প্রতিনিয়ত নজর রেখে চলেছে।
5/9
উপকূলরক্ষী বাহিনীর বিশেষ উদ্যোগ। বৃহস্পতিবার, কলকাতায় বাহিনীর আঞ্চলিক সদর দফতর (উত্তর-পূর্বাঞ্চল) থেকে এই বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়।
6/9
নটিয়াল বলেন, জলে মৎস্যজীবীরা দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান। ফলে, কোনও জঙ্গি জলপথে তটের দিকে এগোলে মৎস্যজীবীরা যাতে শত্রুদের চিনতে পারেন, তার প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
7/9
লক্ষ্য, মৎস্যজীবীদের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তার চেতনা গড়ে তোলা। মৎস্যজীবীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া যে, কী ভাবে সমুদ্র শত্রু ও বন্ধুদের চিনতে হবে।
8/9
জানা গিয়েছে পাঁচদিনের এই র্যালি কাঁথি, ধর্মা, পারাদীপ, চাঁদিপুর এবং হলদিয়া হয়ে ফের কলকাতায় শেষ হবে। মোট ১১৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করা হবে।
9/9
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে এদিন উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বায়ুসেনা প্রধান অরূপ রাহা। তিনি বলেন, দেশের জলসীমা নিরাপত্তায় উপকূলরক্ষী বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। এদিন এই মোটরসাইকেল র্যালির ফ্ল্যাগ অফ করেন তিনি।