Bangladesh Cricket: তাঁর বক্তব্যেই শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে অচলাবস্থা, কে এই এম নাজমুল ইসলাম?
Nazmul Islam: ২০২১ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর পদে যোগ দিয়েছিলেন নাজমুল ইসলাম। ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা ছাড়াও তিনি একজন সক্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও।

ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেটে অচলাবস্থা কতদিনে কাটবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। বোর্ডের ডিরেক্টর পদে বসে থেকে দেশের অন্য়তম সফল ক্রিকেটার তামিম ইকবালকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। এরপর দেশের ক্রিকেটারদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। যা নিয়ে সরব হয়েছেন দেশের প্রথমসারির ক্রিকেটাররা। কিন্তু যাকে নিয়ে এত আলোচনা, সমালোচনা, কে এই এম নাজমুল ইসলাম?
২০২১ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর পদে যোগ দিয়েছিলেন নাজমুল ইসলাম। ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা ছাড়াও তিনি একজন সক্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাকে মূলত প্রতিনিধিত্ব করেন নাজমুল হোসেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর পর্যালোচনা করে ও সংগঠনের স্বার্থে বোর্ড সভাপতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে এম নাজমুল ইসলামতে অর্থ দফতরের চেয়ারম্য়ানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঠিক কী করেছিলেন নাজমুল ইসলাম?
দেশের ক্রিকেটারদের পারফরম্য়ান্স নিয়ে কটূক্তি করেছিলেন নাজমুল ইসলাম। তামিম ইকবালকে ভারতের দালাল বলেও সম্বোধন করেছিলেন তিনি। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ থেকে সরে দাঁড়ান ক্রিকেটাররা। ম্য়াচও আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এরপরই জনসমক্ষে খেলোয়াড়ের প্রতি কটূক্তি করার জন্য ক্ষমা চাইতেও হবে বিসিবির ফিনান্স কমিটির চেয়ারম্যানকে। বয়কটের জেরে গতকাল, বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচও খেলতে নামেনি খেলোয়াড়রা। বাতিল হয় টুর্নামেন্ট। তবে সেই রাতেই বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (কোয়াব) সঙ্গে আলোচনার পর জট কাটে। শুক্রবার থেকে ফের শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ।
কোয়াবের প্রধান ছিলেন মহম্মদ মিঠুন। তিনিই মূলত সাংবাদিক বৈঠকে সবার সামনে ছিলেন। তাঁর পাশে বসতে দেখা যায় লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহদি হাসান মিরাজদের। কিন্তু মিঠুনই মূলত লিড করছিলেন পুরো বিষটা। তবে সাংবাদিক বৈঠকের পর তাঁর কাছে নাকি প্রাণনাশের হুমকি আসছে, এমনটাই জানিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, 'এর আগে আমার জীবনে কখনও এমন অভিজ্ঞতা হয়নি। কোনও বিতর্কে কোনওদিন জড়িয়েছি বলেও মনে হয় না। গোটা বিষয়টা আমার মাথার উপর উঠে যাচ্ছে। আমি দেশের বিরুদ্ধে কথন কিছু বললাম? এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনও লাভ নেই। আমি তো একটা সংস্থার সভাপতি। আর আমিই যদি এই বিষয়ে কথা না বলি, তাহলে এই পদের মানেটা কী? দেশের ঊর্ধ্বে কেউ নন।'




















