Cricketer Death: ৩৮ বছর বয়সেই মর্মান্তিক পরিণতি ক্রিকেটারের, ট্রেনেই ঘটে গেল ভয়াবহ কাণ্ড
Cricket Tragedy: ট্রেনে সফর করার সময়ই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ক্রিকেটার। সঙ্গে সঙ্গে আপদকালীন নম্বরে ফোন করে চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়। কিন্তু সঠিক সময়ে সাড়া মেলেনি।

নয়াদিল্লি: আইপিএল (IPL 2025) সবে শেষ হয়েছে। ১৮ বছরে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। যদিও আরসিবি-র বিজয়োৎসবে বেঙ্গালুরুতে পদপিষ্ট হয়ে ১১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় শোকস্তব্ধ বাইশ গজ। আর তার মাঝেই ফের এক মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এল ক্রিকেটের ময়দানে।
অকালে প্রয়াত হলেন ক্রিকেটার। বয়স? মাত্র ৩৮ বছর। ছত্তীসগঢ় এক্সপ্রেসে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ট্রেনেই প্রাণ হারালেন বিশেষভাবে সক্ষম এক ক্রিকেটার। হুইলচেয়ার ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলতে দিল্লি থেকে গ্বালিয়র যাচ্ছিলেন পঞ্জাবের বিক্রম সিংহ। সেই সময়ই এই দুর্ঘটনা। ট্রেনে যাত্রার সময়ই হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। ট্রেনেই মৃত্যু হয়েছে ওই ক্রিকেটারের।
ট্রেনে সফর করার সময়ই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ক্রিকেটার। সঙ্গে সঙ্গে আপদকালীন নম্বরে ফোন করে চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়। কিন্তু সঠিক সময়ে সাড়া মেলেনি। ট্রেন মথুরা স্টেশন পৌঁছনোর আগেই মৃত্যু হয় বিশেষভাবে সক্ষম ওই ক্রিকেটারেরা।
জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে হজরত নিজামউদ্দিন স্টেশন থেকে সতীর্থদের সঙ্গেই ছত্তীসগঢ় এক্সপ্রেসে চড়েন বিক্রম। তাঁর সতীর্থরা জানিয়েছেন, ট্রেন ছাড়ার পরই বুকে ব্যথা অনুভব করেন বিক্রম। ট্রেন মথুরা পৌঁছনোর আগেই তাঁর শারীরিক অবস্থায় অবনতি হয়। জানা গিয়েছে, চিকিৎসা চেয়ে ভোর ৪.৫৮ মিনিটে রেলের হেল্পলাইনে দেওয়া ইমার্জেন্সি নম্বরে ফোন করা হয়। একাধিকবার ফোন করা সত্ত্বেও কোনও সাহায্য মেলেনি। ট্রেন দেড় ঘণ্টা দেরিতে চলায় সকাল ৮.১০ মিনিটে মথুরা পৌঁছয়। ততক্ষণে অবশ্য সব শেষ হয়ে গিয়েছে।
বিক্রমের এক সতীর্থ বলেছেন, 'আমাদের চোখের সামনে ও যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। মেডিক্যাল সাহায্য চেয়ে আমরা একাধিকবার ফোন করি। কিন্তু কোনও উত্তর পাইনি।'
বিতর্ক তৈরি হয়েছে রেলের ভূমিকা নিয়ে। নিয়ম অনুযায়ী, রেলে সফরের সময় যদি কোনও যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে তৎক্ষণাৎ তাঁর চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার কথা। সে জন্য হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া থাকে। প্রাথমিক চিকিৎসার যাবতীয় বন্দোবস্ত ট্রেনেই থাকার কথা। এর জন্য প্রাথমিক প্রশিক্ষণও দেওয়া হয় ট্রেনে থাকা রেল কর্মীদের। ছত্তীসগঢ় এক্সপ্রেসের ঘটনা তুমুল বিতর্ক তৈরি করেছে। কেন সঠিক সময় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়নি, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। জিআরপি মথুরা স্টেশনে ট্রেন থেকে বিক্রমের মরদেহ নামিয়ে ময়নাতদন্তে পাঠায়।




















