Jos Buttler: ইংল্যান্ডের জার্সিতে অনন্য রেকর্ড, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নতুন মাইলস্টোন গড়লেন বাটলার
ENG vs SL: তিন ম্য়াচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরপর দুটো ম্য়াচ জিতে ফেলল ইংল্যান্ড। সিরিজও ঝুলিতে পুরে নিয়েছে তারা। বাটলার ব্যাট হাতে ২৯ বলে ৩৯ রান করেছিলেন।

লন্ডন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অনন্য মাইলস্টোন গড়ে ফেললেন জস বাটলার। ইংল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে বিশ্বের চতুর্থ সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী হয়ে গেলেন ইংল্য়ান্ডের উইকেটকিপার ব্যাটার। এমনকী ইংল্যান্ডের জার্সিতে ৪০২ তম আন্তর্জাতিক ম্য়াচ খেলে ফেললেন ডানহাতি। টি-টোয়ন্টি ফর্ম্য়াটে বাবর আজম, রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির পর চতুর্থ ব্য়াটার হিসেবে সর্বাধিক রান সংগ্রহ করে ফেললেন বাটলার।
তিন ম্য়াচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরপর দুটো ম্য়াচ জিতে ফেলল ইংল্যান্ড। সিরিজও ঝুলিতে পুরে নিয়েছে তারা। বাটলার ব্যাট হাতে ২৯ বলে ৩৯ রান করেছিলেন। থ্রি লায়ন্সরা ৬ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। বাটলার তাঁর কেরিয়ারে এখনও পর্যন্ত ১৪৬ ম্য়াচে ৩৯২৫ রান করেছেন। একটি সেঞ্চুরি ও ২৮টি অর্ধশতরান হাঁকিয়েছেন বাটলার এখনও পর্যন্ত তাঁর টি-টোয়েন্টি কেরিয়ারে।
কীভাবে ওয়াক ওভার পেতে পারে ভারত?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচ বয়কট করেছে পাকিস্তন। কিন্তু পাকিস্তান এই ম্য়াচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিলেও এমনি এমনি কিন্তু পয়েন্ট পাবে না সূর্যকুমার যাদবের দল। তাহলে? আসলে এখানে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে সূর্যকুমার ও তাঁর ছেলেদের। সাধারণত টেনিসে আমরা দেখতে পাই যে প্রতিপক্ষ প্লেয়ার যদি চোটের জন্য বা কোনও কারণে খেলা থেকে সরে দাঁড়ান আগেই, তাহলে অন্য প্লেয়ার ওয়াকওভার পেয়ে যান। সেক্ষেত্রে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নেন তিনি। কিন্তু আইসিসির নিয়ম বলছে অন্য় কিছু। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ভারতকে সেদিন নিয়মমত মাঠে পৌঁছতে হবে। এমনকী সূর্যকুমারকে টস করতেও নামতে হবে মাঠে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী যদি পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘা মাঠে না থাকেন। তাহলে তখন ম্য়াচ রেফার সেই ম্য়াচ ওয়াকওভার ঘোষণা করবেন। আর ভারত পয়েন্ট ঝুলিতে পুরে নেবে। বিসিসিআইয়ের সূত্র অনুযায়ী জানানো হয়েছে যে ভারতীয় ক্রিকেট দল নিয়মত মত কলম্বো যাবে ম্য়াচ খেলতে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে মাঠে পাকিস্তান দলের জন্য অপেক্ষা করবে তারা। এমনকী সেখানে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুশীলনেও নামবেন সূর্যকুমার যাদবরা। পাকিস্তানের প্রস্তাব মেনেই হাইব্রিড মডেলে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও এশিয়া কাপে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছে গত কয়েক বছরে। ২০২৩ সালে শেষবার আইসিসি ইভেন্টে ভারতের মাটিতে খেলেছিল পাকিস্তান।



















