Indian Cricket Team: আইপিএল শুরুর আগেই বোর্ডের কাছে অভিনব দাবি নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকরের
Ajit Agarkar: অজিত আগরকর নির্বাচক প্রধান থাকাকালীন ভারতীয় দল চারটি আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে পৌঁছেছে।

নয়াদিল্লি: আইপিএল শুরু হতে আর দিন দশেকও বাকি নেই। তার আগেই বিসিসিআইয়ের কাছে এক বড় অনুরোধ করে বসলেন ভারতীয় দলের (Indian Cricket Team) নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর (Ajit Agarkar)। কী তাঁর দাবি? আগরকর চান ভারতীয় বোর্ড যেন আরও এক বছর তাঁকে নিজের পদে বহাল রাখে।
চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের নির্বাচক প্রধানের পদে থাকার কথা আগরকরের। তবে নিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাঁর তরফে বোর্ডের কাছে আবেদন করা হল। আগরকরের চুক্তি গত বছর আইপিএলের আগেই এক বছর বাড়ানো হয়েছিল। তাঁর তত্ত্বাবধানে ভারতীয় দল ২০২৪ সালের টি-টোয়ন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, নাগাড়ে দুই আইসিসি ট্রফি জয়ের পরেই তাঁর চুক্তি বাড়ানো হয়েছিল। তিনি ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ভারতীয় দলের নির্বাচক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আগরকর নির্বাচক প্রধান থাকাকালীনই ভারতীয় দল চারটি আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে পৌঁছেছে, এর মধ্যে তিনটি খেতাব জিতেছে ভারত, জিতেছে দুইটি এশিয়া কাপও। এই পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করেই আগরকর ২০২৭ সালের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁর চুক্তি বাড়ানোর দাবি করেছেন।
আপাতত আগরকরের চুক্তি বাড়ানোর বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। রিপোর্ট দাবি করা হচ্ছে এই ধারাবাহিক সাফল্যের পর অনেকেই স্থিরতা বজায় রাখার জন্য আগরকরকেই আসন্ন বিশ্বকাপ পর্যন্ত নির্বাচক প্রধানের দায়িত্বে দেখতে চাইছেন বোর্ডের একাংশ। আবার আরেক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে যে পশ্চিমাঞ্চলের এক প্রাক্তন ফাস্ট বোলারকে আগরকরের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসাবে ভাবা হচ্ছে।
অনেকের ধারণা আপাতত যেহেতু আগরকরের বদলে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য বড় কোনও নাম তেমন উঠে আসছে না। তাই স্থিরতা বজায় রাখতে অনেকই মনে করছেন যে অজিত আগরকরের মেয়াদসীমা বাড়ানো হতে পারে।
আগরকরের মেয়াদে সবথেকে বড় বিতর্ক বলতে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির টেস্ট থেকে অবসর। সেই বিষয়ে কিন্তু সম্প্রতি আর অশ্বিন মুখ খুলেছেন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে সম্ভবত আগরকর নয়, গৌতম গম্ভীরই রোহিত, বিরাটদের সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'কোচ হিসাবে গৌতমের একটা কাজ, একটা দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই থেকে যদি ওঁর মনে হয় যে বিরাটের বা রোহিতের, বা আমার সরে যাওয়া উচিত, তাহলেও সেটা ঠিকই আছে কারণ দিনের শেষে ওঁকে তো ওঁর কাজটা করতে হবে। আবার সেই মুহূর্তে এই সিদ্ধান্তের ফলে যদি আমি হতাশ, ক্ষুব্ধ হই, সেটাও ভুল নয়, কারণ আমারও তো অনুভূতি আছে। তবে আবেগটা যদি সরিয়ে রেখে ভাবা হয়, তাহলে এই বিষয়টা ঠিক যে ওঁর একটা দায়িত্ব আছে এবং সেই দায়িত্ব পালন করছে ওঁ। তাতে আমারও মনে হতে পারে যে ওই জমানায় আমার আর কোনও ভবিষ্যৎ নেই।'



















