Mithun Manhas: অবশেষে সম্ভাবনাই সত্যি হল, বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি মিঠুন মানহাস
BCCI New President: রজার বিনির পরিবর্তে বিসিসিআইয়ের হটসিটে বসতে চলেছেন। তবে সেটা সম্ভাবনার পর্যায়ে ছিল। এবার সেই সম্ভাবনাই সত্যি হল।

মুম্বই: বিসিসিআইয়ের (BCCI) নতুন সভাপতি হলেন মিঠুন মানহাস (Mithun Manhas)। আগেই ঠিক ছিল যে তিনিই রজার বিনির পরিবর্তে বিসিসিআইয়ের হটসিটে বসতে চলেছেন। তবে সেটা সম্ভাবনার পর্যায়ে ছিল। এবার সেই সম্ভাবনাই সত্যি হল।
রবিবার ২৮ সেপ্টেম্বর ছিল বিসিসিআইয়ের এজিএম। সেই বার্ষিক সাধারণ সভায় মিঠুনের নাম বোর্ড সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। জম্মু কাশ্মীরের এই ক্রিকেটার নিজে ঘরোয়া ক্রিকেটে দিল্লির হয়ে খেলেছেন। পরবর্তীতে কোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন, ক্রিকেট প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতাতেই বিসিসিআই সভাপতি হলেন মিঠুন মানহাদ। বোর্ডের ৩৭ তম সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিঠুন। এদিনই মনোনয়ন জমা দেন প্রাক্তন এই ক্রিকেটার। তিনি ছাড়া আর কেউ মনোনয়নও জমা দেননি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, হরভজন সিংহদের নাম ভেসে এসেছিল এই পদের জন্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মিঠুনই বিসিসিআই সভাপতি হলেন।
মিঠুনই প্রথম আনক্যাপড প্লেয়ার হিসেবে এই চেয়ারে বসার কৃতিত্ব অর্জন করলেন। দেশের জার্সিতে না খেললেও আইপিএলে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন মিঠুন। দিল্লি ডেয়ারডেভিলস (এখন দিল্লি ক্যাপিটালস), পুণে ওয়ারিয়র্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে খেলতে দেখা গিয়েছে মিঠুনকে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রেকর্ড কিন্তু মানহাসের দারুণ। কিন্তু সচিন তেন্ডুলকর, রাহুল দ্রাবিড়, ভিভি এস লক্ষ্মণ, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়রা ছিলেন ভারতীয় দলে। তাই জাতীয় দলে সুযোগ হয়নি। যদিও অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দল ও ভারতীয় এ দলের হয়ে খেলেছেন মিঠুন। ১৫৭টি প্রথম শ্রেণির ম্য়াচে মিঠুন মানহাস মোট ৯৭১৪ রান করেছিলেন। ৪৫.৮২ গড়ে ব্যাটিং করেছেন তিনি। ২৭টি সেঞ্চুরি ও ৪৯টি অর্ধশতরান করেছেন। লিস্ট এ ক্রিকেটে ১৩০টি ম্য়াচে ৪১২৬ রান করেছেন ৪৫.৮৪ গড়ে। পাঁচটি সেঞ্চুরি ও ২৬টি অর্ধশতরান রয়েছে সেখানে।
এদিন বোর্ডের সচিব পদে পুনর্নিবাচিত হলেন দেবজিৎ সাইকিয়া। বোর্ডের যুগ্মসচিব হলেন প্রভতেজ ভাটিয়া। কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হলেন কর্নাটকের রঘুরাম ভাট। অ্যাপেক্স কাউন্সিলে জেনারেল বডি প্রতিনিধি হিসাবে জায়গা পেলেন জয়দেব শাহ। আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসাবে থেকে গেলেন অরুণ ধুমল। গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য হিসাবে এলেন এম খইরুল জামাল মজুমদার। বোর্ডের এজিএমে গিয়েছিলেন হরভজন সিংহও। বাংলা বা সিএবি-র কেউই বোর্ডের বড় কোনও পদে নেই। জুনিয়র নির্বাচক কমিটিতে রয়েছেন প্রাক্তন পেসার রণদেব বসু ও মহিলাদের নির্বাচক কমিটিতে রয়েছেন শ্যামা দে।




















