SRH vs LSG Match Highlights: হায়দরাবাদের ডেরায় হায়দরাবাদ-বধ! বিধ্বংসী পুরান-মার্শ, ২৩ বল বাকি থাকতে জয়ী লখনউ
IPL 2025: শেষ পর্যন্ত ২৩ বল বাকি থাকতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে দিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ৫ উইকেটে হায়দরাবাদকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ালেন ঋষভ পন্থরা।

হায়দরাবাদ: সামনে ১৯১ রানের লক্ষ্য। উইকেট যতই সহজ হোক না কেন, প্রতিপক্ষ বোলারদের তালিকায় প্যাট কামিন্স, মহম্মদ শামিদের মতো নাম (SRH vs LSG)।
যদিও নিকোলাস পুরানের তাতে খুব একটা হেলদোল ছিল না। রান তাড়া করতে নেমে ১৮ বলে হাফসেঞ্চুরি। চলতি আইপিএলে যা দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি। ২৬ বলে ৭০ রান করে তিনি যখন ফিরলেন, ম্যাচের রাশ লখনউ সুপার জায়ান্টসের হাতে।
শেষ পর্যন্ত ২৩ বল বাকি থাকতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে দিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। আর সেই জয় এল হায়দরাবাদের ডেরায়। ৫ উইকেটে হায়দরাবাদকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ালেন ঋষভ পন্থরা।
প্রথম ম্য়াচে পরাজয় হজম করতে হয়েছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসকে। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হারতে হয়েছিল লখনউকে। তারপর এই ম্যাচে টস জিতে হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাটিং করতে পাঠানোর পর অনেকে ভ্রু কুঁচকেছিলেন। যে দলের ব্যাটাররা বিধ্বংসী ব্যাটিং করছেন, যাঁদের জন্য মনে হচ্ছে যে কোনও দিন আইপিএলে তিনশো স্কোর হয়ে যাবে, তাদের শুরুতে ব্যাট করতে পাঠানো মানে কি ঝুঁকি হয়ে যাচ্ছে না? যদি প্রথম ইনিংসেই এমন কোনও রান উঠে যায় যা ধরাছোঁয়ার বাইরে!
ঝুঁকিটা নিয়েছিলেন পন্থ। আর ভাগ্য যেন সাহসীদেরই সঙ্গে থাকে। হায়দরাবাদের ব্যাটিংকে সাবলীল থাকতে দিলেন না লখনউ বোলাররা। বিশেষ করে শার্দুল ঠাকুর। ৪ উইকেট নিয়ে তিনিই লখনউ বোলারদের মধ্যে সেরা। ২ ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়ে পার্পল ক্যাপ দখল করেছেন শার্দুলই। যিনি মহসিন খানের পরিবর্ত হিসাবে শেষ মুহূর্তে আইপিএলে সুযোগ পান। সেই সঙ্গে একটি করে উইকেট আবেশ খান, দিগ্বেশ রাঠি, রবি বিষ্ণোই ও প্রিন্স যাদবের। হায়দরাবাদ আটকে গেল ১৯০/৯ স্কোরে। সর্বোচ্চ স্কোরার ট্র্যাভিস হেড। ২৮ বলে ৪৭ রান করেন তিনি।
Doing what he does best 👏 🔝
— IndianPremierLeague (@IPL) March 27, 2025
Shardul Thakur produces a special bowling spell to help #LSG clinch a BIG win and takes home the Player of the Match award 🫡
Updates ▶ https://t.co/X6vyVEvxwz#TATAIPL | #SRHvLSG | @LucknowIPL | @imShard pic.twitter.com/VDtFcq5zlp
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মহম্মদ শামির বলে ফেরেন এইডেন মারক্রাম। সেখান থেকে খেলা ধরে নেন পুরান ও মার্শ। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে নেমে ৩১ বলে ৫২ রান করেন মার্শ। পুরান করেন ৭০। দুজনে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৩ বলে ১১৬ রান যোগ করে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত করে দেন। দুজনই প্যাট কামিন্সের বলে পরপর ফিরলেও সমস্যা হয়নি। নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধে ৮ বলে অপরাজিত ২২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেন আব্দুল সামাদ।




















