MS Dhoni : আইসিসি-র 'Hall of Fame'-এ ধোনি, সঙ্গে আরও ৬ ক্রিকেটার ; 'চিরকাল মনে রাখব...'
ICC Hall of Fame : এই সাতজনের অন্তর্ভুক্তির সঙ্গে সঙ্গে আইসিসি-র 'Hall of Fame'-এ ঠাঁই পাওয়া কিংবদন্তির সংখ্যা গিয়ে পৌঁছাল ১২২-এ।

নয়াদিল্লি : আইসিসি-র 'Hall of Fame'-এ জায়গা করে নিলেন এমএস ধোনি। একই সঙ্গে এই তালিকায় ঢুকে পড়লেন আরও ছয় ক্রিকেটার। লন্ডনের অ্যাবে রোড স্টুডিওয় এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে সাত কিংবদন্তিকে 'Hall of Fame'-এ জায়গা দেওয়া হল।
ধোনি ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন- দক্ষিণ আফ্রিকার হাসিম আমলা, অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ওপেনার ম্যাথু হেডেন, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন অধিনায়ক গ্রেম স্মিথ, নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি ড্যানিয়েল ভেট্টোরি। এছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন দুই মহিলা ক্রিকেটার। তাঁরা হলেন- পাকিস্তানে সানা মীর ও ইংল্যান্ডের প্রাক্তন উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার সারা টেলর। এই সাতজনের অন্তর্ভুক্তির সঙ্গে সঙ্গে আইসিসি-র 'Hall of Fame'-এ ঠাঁই পাওয়া কিংবদন্তির সংখ্যা গিয়ে পৌঁছাল ১২২-এ।
এই সাত ক্রিকেটারকে ভোটের মাধ্যমে বেছে নেন ইতিমধ্যে 'Hall of Fame'-এ থাকা কিংবদন্তিরা, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। ১৭ হাজার রানের মালিক ও আইসিসি-র সাদা বলের তিন টুর্নামেন্ট-জয়ী একমাত্র অধিনায়ক ধোনি এই স্বীকৃতি পেয়ে স্বভাবতই খুশি। এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ধোনি বলেন, "আইসিসি-র 'Hall of Fame'-এ নাম ওঠা সম্মানের বিষয়। যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ক্রিকেটারদের অবদানকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। এই ধরনের সর্বকালীন মহানদের সঙ্গে একসঙ্গে স্মরণীয় হয়ে ওঠা চমৎকার অনুভূতি। এটা এমন একটা বিষয় যা আমি চিরকাল মনে রাখব।"
একগুচ্ছ তরুণ ও অপরীক্ষিত ক্রিকেটারকে নিয়ে ২০০৭ সালে প্রথম টি২০ বিশ্বকাপ জিতে নেয় ধোনির নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। এরপর সেই স্মরণীয় মুহূর্ত। ২০১১-য় একদিনের ক্রিকেটেও বিশ্বকাপ জয়। দেশের মাটিতে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জিতে দেশবাসীর হৃদয় জিতে নিয়েছিল ধোনির নেতৃত্বাধীন টিম। এখানে শেষ নয়, সাদা বলের ক্রিকেটে সাফল্যে আরও নিজের রয়েছে তাঁর জমানায়। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জিতে নেয় ভারত। ক্রিকেট ইতিহাসে ধোনিই একমাত্র অধিনায়ক যিনি আইসিসি সাদা বলের তিনটি ট্রফিই জিতেছেন। তাঁর নেতৃত্ব বিশৃঙ্খলার মাঝে শান্তি এনে দিয়েছিল, চাপকে সুযোগে এবং স্বপ্নকে জয়ে পরিণত করেছিল। ৫০.৫৭ গড়ে ১০,০০০ এরও বেশি ওয়ানডে রানের মাধ্যমে, ব্যাট হাতে তাঁর উত্তরাধিকার যতটা প্রভাবশালী, ততটাই স্থায়ী। শুধু তা-ই নয়, গ্লাভস হাতে উইকেটের পিছনেও ধোনির সাফল্য নজরকাড়া। তাঁর বিদ্যুৎ-গতিতে স্টাম্পিং ক্ষমতা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে উইকেটকিপিংয়ে বিপ্লব ঘটিয়েছিল। MS Dhoni in ICC Hall of Fame






















