এক্সপ্লোর
শারদ আনন্দ ২০২০: গোটা প্রতিমা টুকরো করে ভাসানো হয় যমুনায়, আর কোথাও নেই এমন প্রথা!
কোচবিহারের বড় দেবীর পুজো প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো। দশমীর দিন প্রথা মেনে প্রতিমার মূল কাঠামো অক্ষত রেখে গোটা প্রতিমা খণ্ডিত করে যমুনা নদীর জলে বিসর্জন দেওয়া হয়। দশমীর সকালে বোলপুরে সুরুল জমিদার বাড়িতে অপরাজিতার পুজো। আরতি এবং তারই সঙ্গে ভোগ বিতরণ। বাঁকুড়া শহরে গন্ধেশ্বরী নদীর সতীঘাটে নবপত্রিকা ও ঘট বিসর্জন ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে শুরু হয়েছে মাকে বিদায় জানানোর পালা। মাস্ক পরে অনেকেই অংশ নিয়েছেন।






























