এক্সপ্লোর
আউশগ্রামে অসিত মালের হয়ে প্রচারে গিয়ে নকুলদানা বিলি অনুব্রত মণ্ডলের, কালীঘাটে পুজো রাহুল সিনহার
দলীয় প্রার্থীর হয়ে ভোট প্রচারে নেমে নিজের হাতে নকুলদানা বিলি করলেন অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূমের বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত মালের হয়ে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের গুসকরা এলাকায় ভোট প্রচারে যান তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। হুড খোলা গাড়িতে চড়ে প্রচারের সময় স্থানীয়দের মধ্যে নকুলদানা বিলি করেন অনুব্রত। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকা বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। অন্যদিকে, আজ সকালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন কলকাতা উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করলেন তিনি। আজ সকালে হুগলির কোন্নগর নবগ্রাম এলাকায় প্রচার করলেন শ্রীরামপুর লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে হেঁটে ও পরে হুড খোলা গাড়িতে চড়ে প্রচার করেন তিনি। গতকালের মতো আজও পথচলতি মানুষদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দেন তৃণমূল প্রার্থী। সাত সকালে প্রাতর্ভ্রণকারীদের মাঝে ভোট প্রার্থী। সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে নির্বাচনী প্রচার করলেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মৃণালকান্তি দেবনাথ। হাঁটতে হাঁটতে প্রাতর্ভ্রমণকারীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি, ভক্তিমূলক গানে গলাও মেলান তিনি। মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে প্রচার করলেন বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার। আজ সকালে শঙ্খ, ঢাক বাজিয়ে বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রচার করেন তিনি। কমিশনের বিনা অনুমতিতে ভোটপ্রচার করে বিতর্কে বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ বিধানসভার গলসিতে গোহগ্রাম অঞ্চলে প্রচার করেন তিনি। প্রচারে গিয়ে কমিশন ও পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের কিছুটা অংশ পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। পুলিশ ও কমিশনের দাবি, প্রচারের জন্য কোনও অনুমতি পাননি সৌমিত্র। প্রচারের অনুমতির জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। পাল্টা দাবি সৌমিত্রর। পুলিশ ও কমিশনের বাধা দেওয়ার পরেও প্রচার থামাননি তিনি। কখনও হুডখোলা জিপে প্রচার, কখনও পায়ে হেঁটে প্রচার করেন সৌমিত্র। বিজেপি বেশ কয়েকটি গাড়ি ও বাইক নিয়ে প্রচারের আবেদন জানায়। নিয়মমাফিক গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দিতে হয়। কিন্তু তাঁরা সেগুলি জমা দেননি। পুলিশ সূত্রে খবর। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব, জানিয়েছেন খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক।

দলীয় প্রার্থীর হয়ে ভোট প্রচারে নেমে নিজের হাতে নকুলদানা বিলি করলেন অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূমের বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত মালের হয়ে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের গুসকরা এলাকায় ভোট প্রচারে যান তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। হুড খোলা গাড়িতে চড়ে প্রচারের সময় স্থানীয়দের মধ্যে নকুলদানা বিলি করেন অনুব্রত। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকা বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। অন্যদিকে, আজ সকালে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন কলকাতা উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করলেন তিনি। আজ সকালে হুগলির কোন্নগর নবগ্রাম এলাকায় প্রচার করলেন শ্রীরামপুর লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে হেঁটে ও পরে হুড খোলা গাড়িতে চড়ে প্রচার করেন তিনি। গতকালের মতো আজও পথচলতি মানুষদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দেন তৃণমূল প্রার্থী। সাত সকালে প্রাতর্ভ্রণকারীদের মাঝে ভোট প্রার্থী। সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে নির্বাচনী প্রচার করলেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মৃণালকান্তি দেবনাথ। হাঁটতে হাঁটতে প্রাতর্ভ্রমণকারীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি, ভক্তিমূলক গানে গলাও মেলান তিনি। মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে প্রচার করলেন বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার। আজ সকালে শঙ্খ, ঢাক বাজিয়ে বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রচার করেন তিনি। কমিশনের বিনা অনুমতিতে ভোটপ্রচার করে বিতর্কে বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ বিধানসভার গলসিতে গোহগ্রাম অঞ্চলে প্রচার করেন তিনি। প্রচারে গিয়ে কমিশন ও পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের কিছুটা অংশ পড়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। পুলিশ ও কমিশনের দাবি, প্রচারের জন্য কোনও অনুমতি পাননি সৌমিত্র। প্রচারের অনুমতির জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। পাল্টা দাবি সৌমিত্রর। পুলিশ ও কমিশনের বাধা দেওয়ার পরেও প্রচার থামাননি তিনি। কখনও হুডখোলা জিপে প্রচার, কখনও পায়ে হেঁটে প্রচার করেন সৌমিত্র। বিজেপি বেশ কয়েকটি গাড়ি ও বাইক নিয়ে প্রচারের আবেদন জানায়। নিয়মমাফিক গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দিতে হয়। কিন্তু তাঁরা সেগুলি জমা দেননি। পুলিশ সূত্রে খবর। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব, জানিয়েছেন খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক।
আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion




















