Nepal Flash Flood | কোথায় নিখোঁজরা? চপার কিংবা সড়কপথ নয়, উদ্ধারকাজে ব্যবহার হচ্ছে ড্রোনও
কাঠমাণ্ডু : লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৭৬৮ জনের দেহ। নিখোঁজ রয়েছে আড়াই হাজারের বেশি। বুধবার আসা হড়পা বানে মৃত্য়ুপুরীতে পরিণত হয়েছে পাহাড়ের কোলের এই ছোট্ট দেশটি। বানে বিধ্বস্ত রসুয়াতেই খোঁজ মিলছে না ৭২৪ জনের। খোঁজ নেই ৪০০-এর বেশি ভারতীয়র, উদ্বিগ্ন বিদেশমন্ত্রক। ইতিমধ্যে নতুন করে জলস্তর বাড়তে শুরু হয়েছে ভোতেকোশি নদীতে। জারি রয়েছে সতর্কতা। নেপালের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে প্লাবনের পরিস্থিতি। এই মুহূর্তে নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। পাঠানো হয়েছে ১১ জন সদস্যের উদ্ধারকারীদের দল। উদ্ধার করা হয়েছে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষকে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার ঘটনা। সকালে চিন সীমান্তবর্তী ওই জেলায় আচমকা নামে হড়পা বান। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। বানের তোড়ে ভেসে গিয়েছে ঘরবাড়ি, বাজার, একের পর এক গাড়ি। ভেঙেছে সেতুও। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিমি দূরে অবস্থিত রাসুয়ায় আনুমানিক ৫০ হাজার মানুষের বাস। তিব্বত থেকে নেপালে প্রবেশ করে এই জেলা দিয়েই বসে গিয়েছে ভোতেকোশি নদী। বুধবার সকাল ৯টা থেকেই তাতে বৃদ্ধি পায় জলস্তর। তারপর ক্ষণিকের মধ্য়ে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসে হড়পা বান। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, তিব্বতের দিক থেকে প্রবেশ করেছে বন্যার জল। তবে এই হড়পা বানের প্রভাব যে শুধুমাত্র রাসুয়ার মধ্যে সীমিত থেকেছে, এমন নয়। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রাসুয়া পেরিয়ে মোট ৬টি জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এই বান।





















