E20 Petrol: গাড়ির ইঞ্জিনে সমস্যা হয় ভেজাল পেট্রোলের কারণে, E20 জ্বালানির জন্য নয়, বলছে অটোমোবাইল সংস্থাগুলো
Petrol Cars: মারুতি সুজুকি জানিয়েছে, ২০১০ সালের আগে তৈরি করা তাদের গাড়িগুলোতে E20 জ্বালানি দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষায় ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশে কোনও অতিরিক্ত ক্ষতির কোনও প্রমাণ মেলেনি।

কলকাতা: একাধিক মহলে অভিযোগ উঠছে যে E20 পেট্রোলের কারণে ক্ষতি হচ্ছে গাড়ির। যদিও গাড়ি নির্মাতা সংস্থাগুলো বারে বারে সেই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু এবার দেশের অন্যতম বড় দুই গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা Maruti Suzuki এবং Toyota সেই আশঙ্কাকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে। তারা বলেছে, E20 জ্বালানি নয়, বরং ভেজাল বা দূষিত জ্বালানিই ইঞ্জিন সংক্রান্ত অধিকাংশ সমস্যার মূল কারণ।
মারুতি সুজুকি জানিয়েছে, ২০১০ সালের আগে তৈরি করা তাদের পুরোনো গাড়িগুলোতে E20 জ্বালানি দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষায় ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশে অস্বাভাবিক ক্ষয় বা অতিরিক্ত ক্ষতির কোনও প্রমাণ মেলেনি। একই দাবি করেছে টয়োটাও। সংস্থার বক্তব্য, E20 জ্বালানি ব্যবহারের কারণে তাদের কাছে উল্লেখযোগ্য কোনও অভিযোগ আসেনি।
অটোমোবাইল সংস্থাগুলোর মতে E20 জ্বালানি বাজারে আনার আগে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এই জ্বালানিতে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো থাকে, যা দূষণ কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ইঞ্জিনের নকিং কমানো এবং গাড়ির পারফরম্যান্স উন্নত করতেও ইথানল কার্যকর বলে দাবি শিল্পমহলের।
তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, E20 ব্যবহারে কিছু পুরনো গাড়ির ক্ষেত্রে জ্বালানি দক্ষতা বা মাইলেজ সামান্য কমতে পারে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের আগে তৈরি গাড়িতে এই পরিবর্তন বেশি অনুভূত হতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে E20 ইঞ্জিনের ক্ষতি করছে।
২০২৩ সালের পর থেকে দেশে ধাপে ধাপে E20-উপযোগী গাড়ি এবং জ্বালানি চালু করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাগুলি।
অটোমোবাইল সংস্থাগুলোর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ভেজাল জ্বালানির সমস্যা রয়েছে দেশে। এ ছাড়াও E20 পেট্রোল চালুর আগেও এই ধরনের অভিযোগ ছিল। তাই গাড়ির ইঞ্জিন সুরক্ষিত রাখতে নির্ভরযোগ্য পাম্প থেকে জ্বালানি নেওয়া এবং নিয়মিত গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। E20 জ্বালানি নতুন ও পুরনো—উভয় ধরনের গাড়ির জন্যই নিরাপদ বলেই আশ্বস্ত করেছে সংস্থাগুলি।























