Personal Finance: নির্ঝঞ্ঝাটে বাড়ি কিনতে এই নথিগুলি সঙ্গে রাখবেন, ভুল হলেই মহাবিপদ!
Documents For Buying House: সেল ডিড বা বিক্রয় দলিল বাধ্যতামূলক আইনি নথিগুলির মধ্যে অন্যতম। এই নথির মাধ্যমে সম্পত্তির মালিকানা বদল হয়, অর্থাৎ বাড়ি বা জমি বিক্রেতার হাত থেকে ক্রেতার হাতে আসে।

বাড়ি কেনার কথা ভাবছেন? নিজের স্বপ্নের আস্তানা বানানোর আগে কয়েকটি বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতেই হবে। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বাড়ি কেনা মুখের কথা নয়। বাড়ি কিনতে অনেকে গোটা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে দেন। এছাড়া ঋণ-কিস্তিতে বাড়ি কেনাও কম দায়িত্বপূর্ণ নয়। নথিপত্রে সামান্য ভুলও বড় জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই এত বড় বিনিয়োগের আগে কয়েকটি নথি সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভালো।
মাদার ডিড:
বাড়ি বা জমি কেনার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় নথিগুলির মধ্যে অন্যতম মাদার ডিড (Mother Deed)। এটি প্রথম মালিকানার সাক্ষ্য বহন করে। ফলে এর পরবর্তী হস্তান্তর এবং লেনদেনগুলির ক্ষেত্রে এই নথি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সেল ডিড:
সেল ডিড বা বিক্রয় দলিল বাধ্যতামূলক আইনি নথিগুলির মধ্যে অন্যতম। এই নথির মাধ্যমে সম্পত্তির মালিকানা বদল হয়, অর্থাৎ বাড়ি বা জমি বিক্রেতার হাত থেকে ক্রেতার হাতে আসে। সেল ডিড (Sale Deed) স্বাক্ষর করার আগে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন আইনি বিষয় যেমন সম্পত্তির বিবরণ, রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি যাচাই করে নেওয়া উচিত। এছাড়াও এই সংক্রান্ত যাবতীয় শর্তাবলী দেখে তবেই এগোনো উচিত।
ট্যাক্স রেকর্ড:
ট্যাক্স রেকর্ড (Tax Record) বাড়ি বা জমি কেনার ক্ষেত্রে অপরিহার্য আইনি নথি। এটি মূলত পৌর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারি করা একটি সরকারি নথি। জমি বা বাড়ির মালিক যিনি মূলত কর প্রদান করেন, তার নামেই এই সার্টিফিকেট বা রেকর্ড ইস্যু করা হয়। এর ফলে মিউটেশন সংক্রান্ত তথ্য, ট্যাক্স বকেয়া আছে কিনা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায়।
এনকাম্বরেন্স সার্টিফিকেট:
এই এনকাম্বরেন্স সার্টিফিকেটের (Encumbrance Certificate) মাধ্যমে বোঝা যায় যে আপনি যে বাড়ি বা জমিটি কিনছেন তা কোনওরকম আইনি জটিলতা থেকে মুক্ত। এই জমি বা বাড়ি সংক্রান্ত কোনও আর্থিক সমস্যা রয়েছে কি না, এর ওপর কোনও ঋণ নেওয়া রয়েছে কি না ইত্যাদি বিষয়ে সম্যক ধারণা পাওয়া যায়।
পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (PoA):
জমি অথবা সম্পত্তি কেনার জন্য মালিক এবং আইনি বিষয়ে কাজ করার জন্য কোনও এক ব্যক্তিকে আইনি নিয়ম মেনে সেই ভূমিকা পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই ব্যক্তি মূল মালিকের পরিবর্তে সম্পত্তি বিক্রি করার অনুমতি পায়।
সম্পত্তি ট্যাক্স, জলের ট্যাক্স ও বিদ্যুৎ বিল:
সম্পত্তি ট্যাক্স, জলের ট্যাক্স এবং বিদ্যুৎ বিল মূলত সম্পত্তির মালিকানার প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। যে কোনও জটিলতা এড়ানোর জন্য এই নথিগুলি সঙ্গে রাখা দরকার।
অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান:
নতুন বাড়ি কিংবা ফ্ল্যাট কিনতে গেলে অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান দেখে নেওয়া জরুরি। এটি ছাড়া ভবিষ্যতে কোনও আইনি জটিলতা হলে সমস্যায় পড়তে পারেন।























