ই-পাসপোর্টের কভারে একটি সোনালী চিপ থাকে যাতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও বায়োমেট্রিক ডিজিটাল আকারে এনক্রিপ্ট করা থাকে। এটি আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে।
e-Passport : বিদেশে পাড়ি দেওয়া এখন আরও সহজ, জেনে নিন ই-পাসপোর্ট আবেদনের সহজ ধাপ
Passport Application Tips : এখন দেশজুড়ে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক ই-পাসপোর্ট (e-Passport)। এটি যেমন নিরাপদ, তেমনই আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে তোলে।

- ই-পাসপোর্টের কভারে চিপ থাকে, সুরক্ষিত তথ্য দ্রুত যাচাইয়ের সুবিধা।
- আবেদনে পরিচয়, ঠিকানা, জন্ম তারিখের প্রমাণপত্র ও পুরানো পাসপোর্ট প্রয়োজন।
- অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন, ফর্ম পূরণ, ফি জমা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।
- বায়োমেট্রিক ও পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে ডাকযোগে পাসপোর্ট পৌঁছাবে।
Passport Application Tips : বর্তমানে বিদেশ ভ্রমণের জন্য পাসপোর্ট একটি অপরিহার্য নথি। তবে ফিজিক্যাল পাসপোর্টের (Passport) দিন শেষ হতে চলেছে। ভারত সরকারের 'পাসপোর্ট সেবা প্রোগ্রাম ২.০'-এর অধীনে এখন দেশজুড়ে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক ই-পাসপোর্ট (e-Passport)। এটি যেমন নিরাপদ, তেমনই আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করে তোলে।
ই-পাসপোর্ট আসলে কী ?
দেখতে সাধারণ পাসপোর্টের মতো হলেও, ই-পাসপোর্টের কভারে একটি ছোট সোনালী চিপের চিহ্ন থাকে। এর ভেতরে থাকে একটি RFID চিপ ও অ্যান্টেনা। এই চিপে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও বায়োমেট্রিক ডিজিটাল আকারে এনক্রিপ্ট করা থাকে। ফলে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার ঝামেলা অনেকটাই কমে যাবে।
আবেদনের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন ?
আবেদন করার আগে নীচের প্রয়োজনীয় নথিগুলি গুছিয়ে রাখা জরুরি:
পরিচয়পত্র: আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বা প্যান কার্ড।
ঠিকানার প্রমাণ: বিদ্যুৎ বিল, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা রেশন কার্ড।
জন্ম তারিখের প্রমাণ: জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) বা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড/মার্কশিট।
পুরানো পাসপোর্ট: যদি পাসপোর্ট রিনিউ বা রি-ইস্যু করতে চান, তবে পুরনো পাসপোর্টটি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক।
মনে রাখবেন: আবেদনের সময় সব নথির আসল কপি (Original) এবং সেলফ অ্যাটেসটেড ফটোকপি (Self-attested photocopy) সঙ্গে রাখতে হবে।
আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে
১. রেজিস্ট্রেশন: প্রথমেই পাসপোর্ট সেবার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.passportindia.gov.in-এ গিয়ে নিজের নাম নথিভুক্ত করুন বা লগ-ইন করুন।
২. আবেদন ফর্ম পূরণ: 'Apply for Fresh Passport' অথবা 'Re-issue' অপশনে ক্লিক করে ফর্মটি নির্ভুলভাবে পূরণ করুন।
৩. ফি জমা: ফর্ম সাবমিট করার পর অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে নির্ধারিত আবেদন ফি জমা দিন।
৪. অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং: আপনার সুবিধামতো কাছের 'পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র' (PSK) বা 'পোস্ট অফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র' (POPSK)-এ অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ ও সময় বুক করুন।
৫. বায়োমেট্রিক ও ভেরিফিকেশন: নির্দিষ্ট দিনে নথিপত্র নিয়ে কেন্দ্রে উপস্থিত হন। সেখানে আপনার ছবি এবং আঙুলের ছাপ (Biometric) নেওয়া হবে।
৬. ডেলিভারি: পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে, আপনার ই-পাসপোর্টটি ডাকযোগে সরাসরি বাড়িতে পৌঁছে যাবে।
মনে রাখবেন, পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাটা অত্যন্ত জরুরি। এই কাজ সম্পূর্ণ না হলে পাসপোর্ট পাবেন না আপনি।
Before You Go
ABI News: ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার কমাল এসবিআই,১৬ মে থেকে কার্যকর হবে নতুন সুদের হার
Frequently Asked Questions
ই-পাসপোর্ট কী এবং এর সুবিধা কী?
পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন?
পরিচয়পত্র (আধার, ভোটার, প্যান), ঠিকানার প্রমাণ (বিদ্যুৎ বিল, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট), জন্ম তারিখের প্রমাণ (জন্ম শংসাপত্র, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড) এবং পুরনো পাসপোর্ট (রিনিউ বা রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে) প্রয়োজন।
পাসপোর্ট আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কী?
প্রথমে ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে ফর্ম পূরণ করতে হবে। এরপর ফি জমা দিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। নির্দিষ্ট দিনে কেন্দ্রে গিয়ে বায়োমেট্রিক ও ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।
অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য কোথায় যেতে হবে?
আপনার সুবিধামতো কাছের 'পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র' (PSK) বা 'পোস্ট অফিস পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র' (POPSK)-এ অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে।






















