Gig Workers: আর ১০ মিনিটের ডেডলাইন নয়, ডেলিভারি পরিষেবা নিয়ে নির্দেশ কেন্দ্রের, পিছু হটতে রাজি Blinkit?
Blinkit 10 Minute-Delivery: চাপের মুখেই তারা পিছু হটল বলে মনে করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লি: গ্রাহকের ফাই-ফরমাশ পূরণ করতে আর পড়িমরি করে দৌড়তে হবে না। অবশেষে ১০ মিনিটে ডেলিভারি পরিষেবা বন্ধ করতে হচ্ছে অ্যাপ নির্ভর পণ্য সরবরাহকারী সংস্থা Blinkit-কে। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের তরফে সেই মর্মে নির্দেশ দেওয়া হল তাদের। চাপের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে বলে খবর। (Blinkit 10 Minute-Delivery)
Blinkit-এর মচো অ্যাপ নির্ভর পণ্য সরবরাহকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রপী মনসুখ মাণ্ডবীয়। ডেলিভারি পার্টনারদের জীবনের নিরাপত্তার উপর জোর দেওয়া হয় বৈঠকে। আর তার পরই ১০ মিনিটে পরিষেবা প্রদান থেকে পিছু হটতে বলা হয়। পড়িমরি করে জিনিসপত্র পৌঁছে দিতে গিয়ে ডেলিভারি পার্টনাররা বিপদে পড়লে কী হবে, সেই নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকেই প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করল কেন্দ্র। (Gig Workers)
রাজনীতিক থেকে সমাজকর্মী, ১০ মিনিটে ডেলিভারি পরিষেবা প্রদানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন অনেকেই। ডিসেম্বরের শেষ দিকে সেই নিয়ে অবরোধ ঘোষণা করেন বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ডেলিভারি কর্মীরাও। কাজের শর্তাবলী, চোখের পলকে জিনিস সরবরাহ থেকে সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা, একাধিক দাবিতে অবরোধে বসেন তাঁরা।
এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ১০ মিনিটে ডেলিভারি পরিষেবার যে প্রতিশ্রুতি, যে বার্তা তাদের ব্র্য়ান্ডের সঙ্গে জড়িয়ে, সব সরিয়ে দিতে চলেছে Blinkit. এমনকি বিজ্ঞাপন, প্রচার, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টও সরিয়ে নেওয়া হবে। তাই বলে জিনিসপত্র দেরিতে পৌঁছবে এমন নয়। অবস্থান, দূরত্বের নিরিখে সব কিছু ঠিক হবে। তবে ডেলিভারি পার্টনারদের চাপ, উৎকণ্ঠা থেকে মুক্ত করা হল। তাঁদের নিরাপত্তাই প্রাধান্য পাবে।
Blinkit, Zepto Swiggy, Zomato, প্রায় সব সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেই বৈঠক করেন মনসুখ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার যে রীতি, তা থেকে সরে আসতে বলেন সকলকে। এতে ডেলিভারি পার্টনারদের উপর কী মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়, সে প্রসঙ্গও উঠে আসে আলোচনায়। এর পরই ১০ মিনিটে পরিষেবা প্রদানের রীতি থেকে সরে আসতে সম্মত হয় সংস্থাগুলি।
এতদিন Blinkit '১০ মিনিটে ১০০০-এর বেশি ধরনের পণ্য পৌঁছে দেওয়া' নিয়ে প্রচার চালাত। সেই প্রচারের বার্তা বদলে '৩০০০০-এর বেশি পণ্য চৌকাঠে পৌঁছে দেওয়া'র বার্তা দিতে বলা হয়েছে বলে দিল্লি সূত্রে খবর।
ডেলিভারি পার্টনারদের উপর অসম্ভব চাপ সৃষ্টি করা, তাঁদের প্রতি অমানবিক আচরণ নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই প্রতিবাদ শোনা যাচ্ছিল। তাঁরা নিজেরাও প্রতিবাদে নামেন। সেই আবহেও অবস্থান পাল্টাতে রাজি হননি Zomato কর্ণধার দীপেন্দ্র গয়াল। তাঁর দাবি ছিল, প্রত্যেকের বিমা রয়েছে। গতির নয়, তাঁদের ব্যবসা পরিচালিত হয় নির্দিষ্ট রূপরেখা অনুসারে। কিন্তু তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে। আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডাও বিষয়টি নিয়ে সরব হন। ডেলিভারি পার্টনারদের স্বার্থরক্ষা নিয়ে মুখ খোলে কংগ্রেসও। এর পরই বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করল কেন্দ্র।























