Patanjali Ayurveda: জৈবিক কৃষি থেকে সৌর শক্তি- পরিবেশ সংরক্ষণেও কীভাবে কাজ করে চলেছে পতঞ্জলি ?
Patanjali Green Initiatives: পতঞ্জলি বলেছে, ‘জৈবিক কৃষির প্রচারের জন্য সংস্থা বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে। পতঞ্জলি জৈব গবেষণা ইনস্টিটিউট (PORI)-এর মাধ্যমে সংস্থা জৈব সার ও জৈব কীটনাশক তৈরি করছে।

পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ দাবি করেছে যে সংস্থাটি জৈবিক কৃষি, সৌরশক্তি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষায় সক্রিয়ভাবে নিযুক্ত রয়েছে। সংস্থাটি জৈব সার বিকাশ, সৌরশক্তি প্রচার ও বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট সার তৈরিতে জড়িত। পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ জানিয়েছে যে তাদের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে তারা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। পতঞ্জলি দাবি করে যে স্বামী রামদেবের নেতৃত্বে সংস্থাটি কেবল আয়ুর্বেদিক পণ্যের প্রচারই করেনি, বরং টেকসই কৃষি, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগগুলির লক্ষ্য হল পরিবেশের উপরে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।
জৈবিক কৃষির প্রচার
পতঞ্জলি বলেছে, ‘জৈবিক কৃষির প্রচারের জন্য সংস্থা বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে। পতঞ্জলি জৈব গবেষণা ইনস্টিটিউট (PORI)-এর মাধ্যমে সংস্থা জৈব সার ও জৈব কীটনাশক তৈরি করছে যা রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা হ্রাস করেছে। এই পণ্যগুলি মাটির উর্বরতা উন্নত করে এবং ফসলের গুণমান উন্নত করে। PORI দেশের ৮টি রাজ্যের ৮৪১৩ জন কৃষককে জৈবিক কৃষি গ্রহণে সহায়তা করে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর ফলে মাটি, জল এবং বায়ু দূষণ হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাই জীব বৈচিত্র্যও বৃদ্ধি পেয়েছে।
পতঞ্জলি সৌরশক্তির ক্ষেত্রেও সক্রিয়। পতঞ্জলি দাবি করে, ‘সংস্থা সৌর প্যানেল, ইনভার্টার এবং ব্যাটারির মত পণ্যগুলিকে আরও সাশ্রয়ী মূল্যের করে তুলেছে। এর ফলে গ্রামীণ এলাকায় ক্লিন এনার্জির প্রচার অনেক বেশি করা হচ্ছে। বাবা রামদেবের দৃষ্টিভঙ্গি হল প্রতিটি গ্রাম ও শহরে পতঞ্জলি শক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা উচিত যা কার্বন নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করবে। এই উদ্যোগ কেবল পরিবেশের উপকারই করে না বরং গ্রামীণ সম্প্রদায়ের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎও সরবরাহ করে’।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবন
পতঞ্জলি জানিয়েছে পতঞ্জলি বিশ্ববিদ্যালয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি অনন্য উদ্যোগ চালু করেছে, যেখানে শুকনো বর্জ্যকে সার হিসেবে রূপান্তরিত করা হয় এবং গোবর থেকে যজ্ঞের জন্য পবিত্র উপকরণ তৈরি করা হয়। এটি প্রাচীন জ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির এক অনন্য মিশ্রণ যা বর্জ্য হ্রাস ও টেকসই উপকরণ সহায়তা প্রদান করে থাকে। এই উদ্যোগ কেবল পরিবেশকে পরিস্কার রাখে না, বরং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকেও উৎসাহিত করে।
জল সংরক্ষণ এবং বৃক্ষরোপণের মত উদ্যোগগুলিকেও সংস্থা অগ্রাধিকার দিয়েছে। জল-সাশ্রয়ী কৌশল গ্রহণ করেছে সংস্থা এবং বৃহদাকারে বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করেছে। পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা আর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এই পদক্ষেপগুলি গুরুত্বপূর্ণ।






















