Patanjali: কীভাবে পতঞ্জলির সবুজ উদ্যোগগুলি পরিবেশকে রক্ষা করছে আগামীর জন্য ? জানাচ্ছে সংস্থা
Patanjali Green Initiatives: পতঞ্জলি দাবি করে জৈব চাষের প্রচার সংস্থার সবথেকে বড় অবদান। সংস্থা কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে এবং নিরাপদে জৈব সার ও বীজ সরবরাহ করে যাতে তারা রাসায়নিক সার থেকে দূরে থাকে।

Patanjali Green Initiative: ভারতের অন্যতম সুপরিচিত সংস্থা পতঞ্জলিও পরিবেশ সংরক্ষণের প্রচেষ্টার জন্য আলোচিত হচ্ছে। পতঞ্জলি দাবি করে যে সংস্থাটি কেবলমাত্র ভাল পণ্যই তৈরি করে না, বরং প্রকৃতিকে বাঁচাতে ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য একটি উন্নত পৃথিবী রেখে যাওয়ার জন্যও চেষ্টা করে। পতঞ্জলি বলেছে যে জৈব চাষ, পরিবেশ বান্ধব প্যাকেজিং এবং জল-সঞ্চয় কর্মসূচির মত সংস্থার সবুজ পদক্ষেপগুলি এর মূল কারণ। কীভাবে পতঞ্জলির এই উদ্যোগ প্রকৃতি সংরক্ষণে সহায়তা করে ?
পতঞ্জলি দাবি করে জৈব চাষের প্রচার সংস্থার সবথেকে বড় অবদান। সংস্থা কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে এবং নিরাপদে জৈব সার ও বীজ সরবরাহ করে যাতে তারা রাসায়নিক সার থেকে দূরে থাকে। এটি মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি করে, ভাল ফসল উৎপাদন করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে না। এই পদক্ষেপ কেবল কৃষকদের জন্যই উপকারি নয়, বরং আমরা বিশুদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর খাবার যাতে পাই তাও নিশ্চিত করে। টেকসই কৃষিকাজের প্রচারের মাধ্যমে পতঞ্জলির প্রচেষ্টা দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রকৃতিকে সবুজ রাখতে সাহায্য করছে।
পুনর্ব্যবহারের উপরে জোর দিন
পতঞ্জলি বলেন, ‘সংস্থা তাদের উৎপাদন পরিবেশবান্ধব করে তুলছে। তাদের কারখানাগুলিতে বিদ্যুৎ ও জল কম খরচ হয় এবং বর্জ্যও কম উৎপন্ন হয়। পতঞ্জলি পুনর্ব্যবহারের উপরে জোর দেয় এবং জলের অপচয় রোধে বিশেষ কৌশল ব্যবহার করে। এই প্রয়াস পরিবেশের উপরে বোঝা কমিয়ে আনে এবং অন্যান্য সংস্থার জন্য একটি উদাহরণ স্থাপন করেছে। এ থেকে স্পষ্ট যে পতঞ্জলি কেবল লাভই চায় না, বরং এই পৃথিবীরও যত্ন নেয়।
পতঞ্জলির দাবি, ‘সংস্থার প্যাকেজিংও স্পেশাল। এটি কম প্লাস্টিক ব্যবহার করে এবং জৈব অপচনযোগ্য বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ বেছে নেয়। এটি বর্জ্যের স্তূপ কমায় এবং পরিবেশ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তোলে। পতঞ্জলির এই পদক্ষেপ ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি স্বচ্ছ্ব পরিবেশ রেখে যাওয়ার একটি বড় প্রচেষ্টা।
কমিউনিটি প্রোগ্রাম
পতঞ্জলি বলেছে, ‘সংস্থাটি কেবলমাত্র তার পণ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি বৃক্ষরোপণ, জল সংরক্ষণের মত কমিউনিটি প্রোগ্রামেও অংশগ্রহণ করে। এই পদক্ষেপগুলি প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে ও পরিবেশের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। পতঞ্জলি গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়ন ও সংরক্ষণের জন্যও কাজ করছে যা তাদের দায়িত্ববোধকে প্রতিফলিত করে।’
পতঞ্জলির সবুজ পদক্ষেপগুলি প্রমাণ করে যে সংস্থার লক্ষ্য প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে কাজ করা। জৈব চাষ থেকে শুরু করে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যতের ভিত্তি স্থাপন করছে। পতঞ্জলির প্রচেষ্টা কেবলমাত্র ভারতের জন্য নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের কাছেই অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে’।






















