ICICI Bank News: ‘ব্যাঙ্কও এখন ধনীদের’, ‘৫০০০০ বেতন ক’জনের’, মিনিমাম ব্যালেন্স বৃদ্ধিতে তীব্র সমালোচনার মুখে ICICI
ICICI Bank Minimum Balance: ১ অগাস্ট বা তার পর যাঁরা সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা থাকতেই হবে বলে নিদান দিয়েছে ICICI ব্যাঙ্ক।

নয়াদিল্লি: সেভিংস অ্যাকাউন্টের ন্যূনতম ব্যালেন্স একধাক্কায় ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করে দেওয়া হয়েছে। আর সেই নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাঙ্ক, ICICI ব্যাঙ্ক। State Bank of India-র মতো সরকারি ব্যাঙ্ক যেখানে ন্যূনতম ব্যালেন্সের প্রথাই তুলে দিয়েছে, সেই সময় একটি বেসরকারি সংস্থা এত টাকা অ্যাকাউন্টে রাখার দাবি করতে পারে কী ভাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এমন বেনজির সিদ্ধান্ত অন্য কোনও বেসরকারি ব্য়াঙ্ককে নিতে দেখা যায়নি, কিন্তু ICICI-এর দেখাদেখি অন্য ব্যাঙ্কগুলিও একই পন্থা নিলে, সাধারণ মানুষ কোথায় যাবেন, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আর তাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র কটাক্ষ, নিন্দার মুখে পড়ল ICICI ব্যাঙ্ক। (ICICI Bank News)
১ অগাস্ট বা তার পর যাঁরা সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা থাকতেই হবে বলে নিদান দিয়েছে ICICI ব্যাঙ্ক। ন্যূনতম ব্যালেন্স না থাকলে, ঘাটতির উপর মোটা টাকা জরিমানার কথাও জানানো হয়েছে। তাদের এই ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ ICICI ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে 'ধনীদের ব্যাঙ্ক হওয়ার চেষ্টা'র অভিযোগ তুলেছেন। ICICI ব্যাঙ্কের এই সিদ্ধান্তকে কেউ 'হাস্যকর' বলে উল্লেখ করেছেন, কেউ আবার বলছেন, 'ICICI ব্যাঙ্কের সবচেয়ে খারাপ সিদ্ধান্ত এটি'। সেভিংস অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার টাকা ফেলে রাখার পরিবর্তে অন্যত্র খাটানো ঢের ভাল বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে। 'হাঙ্গামা' ছবিতে পরেশ রাওয়াল অভিনীত একটি দৃশ্য তুলে ধরেছেন কেউ কেউ। লেখেন, 'ICICI ব্যাঙ্কে টাকা ফেলে রাখার চেয়ে অন্যত্র ঢালব। অ্যাকাউন্টই বন্ধ করে দেব'। (ICICI Bank Minimum Balance)
The Worst Decision of ICICI Bank 😡#ICICIBank raises average minimum balance for savings a/c in metros & urban areas to Rs 50,000
— Anuj Prajapati (@anujprajapati11) August 9, 2025
Earlier it was Rs 10,000
Why the hell people put their money in accounts. Urban youth wants to invest those money not to sit dead in Bank… pic.twitter.com/FXfdJ27tk8
ICICI-এর সমালোচনা করে এক নেটিজেন লেখেন, 'মাসে ১ লক্ষ টাকা বেতন পেলেও ICICI ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার টাকা ফেলে রাখা সম্ভব নয়। কারণ সকলেরই EMI রয়েছে, ক্রেডিট কার্জ রয়েছে, অন্য খরচ-খরচা রয়েছে। আসলে প্রত্যেকটি সংস্থাই মধ্যবিত্তের টাকা লুঠ করতে চাইছে। ওই সব সংস্থা এবং সরকারের কাছে মানুষের অস্তিত্ব হেঁটে বেড়ানো লাশ ছাড়া আর কিছু নয়'।
Time to close my account with @ICICIBank @ICICIBank_Care बस यही तक था।
— Pulkit Sharma (@Pulkits77) August 9, 2025
I’d rather invest my Rs 50K than let it rot with ICICI Bank.
Shame on @FinMinIndia @nsitharaman @RBI #ICICIBank https://t.co/eOHBW4Aczs pic.twitter.com/HlBqAYiXio
আর একজন লেখেন, 'দুর্দান্ত পদক্ষেপ। ন্যূনতম ব্যালেন্সের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। এতে গর্ব অনুভব করুন। কারণ যে গ্রাহকদের জন্য সেভিংস অ্যাকাউন্টের সূচনা হয়েছিল, তাঁদেরই বাদ দিচ্ছেন আপনারা। ব্যাঙ্কিং পরিষেবাকেও এখন বিত্তশালীদের জন্য এক্সক্লুসিভ করে তোলা হচ্ছে'। তৃতীয় এক জন লেখেন, 'অধিকাংশ ভারতীয় মাসে ২৫ হাজার টাকারও কম আয় করেন। ICICI ব্য়াঙ্ক চায়, তাঁরা দু'মাসের বেতন ন্যূনতম ব্যালেন্স হিসেবে অ্যাকাউন্টে ফেলে রাখুন। এটা লুঠ ছাড়া আর কিছু নয়, মধ্যবিত্তের ঠকানো হচ্ছে। ওদের হাতে কি নগদের অভাব পড়েছে'?
অন্য এক নেটিজেন লেখেন, 'সেভিংস অ্যাকাউন্টের ন্যূনতম ব্যালেন্স পাঁচ গুণ বাড়িয়েছে ICICI ব্য়াঙ্ক। ইন্দিরা গাঁধী হ্যাঙ্কের কেন্দ্রীয়করণ করেছিলেন, যাতে দরিদ্র মানুষকে ব্যাঙ্কিং পরিষেবার আওতায় আনা যায়, কিন্তু মোদির শাসনকালে দরিদ্র মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে ICICI ব্যাঙ্ক'।
ICICI Bank raised Minimum Balance for savings A/C by 5 times
— 🐧 (@DrJain21) August 9, 2025
₹10k ➡️ 50K -Metro & Urban Branch
₹5K ➡️ 25K - Semi Urban
₹5K ➡️ 10K - Rural
Indira Gandhi nationalised banks and brought them to the poor, but under Modi's rule, banking is moving away from the poor 😐 pic.twitter.com/Vg8yLDAJ4P
বিজ্ঞপ্তি জারি করে ICICI ঝানিয়েছে, মেট্রোপলিটন এবং শহুরে এলাকায় নতুন যাঁরা সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে মাসিক গড় ন্যূনতম ব্যালেন্স ৫০ হাজার টাকা রাখতেই হবে। এতদিন ওই ন্যূনতম ব্যালেন্সের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার টাকা। মফস্বলেও ন্যূনতম ব্যালেন্স বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে, আগে যা ৫০০০ টাকা ছিল। গ্রামীণ এলাকায় যা এতদিন ৫০০০ টাকা ছিল, এখন তা ১০০০০ করা হয়েছে। নিয়ম না মানলে, ঘাটতি থেকে ৬ শতাংশ হারে অথবা ৫০০ করে জরিমানা নেওয়া হবে, যেটা সর্বনিম্ন হবে।
সেরা শিরোনাম





















