LPG Crisis : দেশজুড়ে গ্যাসের আকাল হলে, কারা আগে পাবেন সিলিন্ডার, কারা পরে ! স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র
যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত না থামলে আরও কোন কোন ক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে, তা নিয়ে উদ্বেগে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে গ্যাসের সরবরাহ (LPG Supply Crisis) নিয়ে অনেকের মাথায় হাত পড়েছে।

কলকাতা : হয়েছে ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম (Domestic LPG Price Hike)। শনিবার থেকে কলকাতায় গেরস্থালির এলপিজি সিলিন্ডার (LPG Cylinder Price)-এর দাম বেড়ে হয়েছে ৯৩৯ টাকা।
শুধু ঘরোয়া গ্যাসই নয়, বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম (Commercial LPG Price)-ও বেড়েছে। প্রতিটি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা।
যুদ্ধ পরিস্থিতি দ্রুত না থামলে আরও কোন কোন ক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে, তা নিয়ে উদ্বেগে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে গ্যাসের সরবরাহ (LPG Supply Crisis) নিয়ে অনেকের মাথায় হাত পড়েছে।
নতুন নিয়ম: ২১ দিনের মধ্যে একাধিক গ্যাস বুকিং নয় (LPG Booking Rule)
কেন্দ্র আবার ফিরিয়ে এনেছে পুরনো নিয়ম। এখন থেকে ২১ দিনের মধ্যে একাধিক LPG cylinder booking করা যাবে না (LPG Booking Restriction)।
এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেকেরই আশঙ্কা, যদি গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয় তাহলে কে আগে সিলিন্ডার পাবে (Gas Cylinder Priority Allocation) তা নিয়ে সমস্যা হতে পারে।
গ্যাসের ঘাটতি হলে কারা আগে পাবেন সিলিন্ডার? (Gas Allocation Priority List)
ভারতের Ministry of Petroleum and Natural Gas গ্যাসের বরাদ্দ ও বণ্টন নিয়ে একটি স্পষ্ট অগ্রাধিকার তালিকা (Gas Distribution Priority) জারি করেছে।
যদি দেশে গ্যাসের ঘাটতি (LPG Shortage) তৈরি হয়, তাহলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরবরাহ অক্ষুণ্ণ রাখা হবে।
কোন কোন ক্ষেত্রে গ্যাসের ঘাটতি হবে না? (Essential Gas Supply)
সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহে কোনও কাটছাঁট হবে না (Essential LPG Supply)।
১. বাড়িতে পাইপযুক্ত গ্যাস (PNG Gas Supply)
যে গ্যাস সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ির রান্নাঘরে পৌঁছায়।
২. সিএনজি (CNG for Vehicles)
যানবাহন, অটো এবং গণপরিবহনে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাস।
৩. গৃহস্থালির এলপিজি (Domestic LPG Cylinder)
সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাস সরবরাহে কোনও কাটছাঁট করা হবে না।
৪. পাইপলাইন চালানোর জ্বালানি (Pipeline Fuel Supply)
গ্যাস পরিবহণের জন্য যে জ্বালানি প্রয়োজন, তাতেও ঘাটতি হবে না।
সরকার জানিয়েছে, মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাতে ব্যাহত না হয়, তাই এই ক্ষেত্রগুলোকে প্রথম অগ্রাধিকার (Priority Gas Supply) দেওয়া হয়েছে।
কোন কোন ক্ষেত্রে গ্যাসের কাটছাঁট হতে পারে? (Industrial Gas Cut)
যদি গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়, তাহলে শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত গ্যাসের বরাদ্দ কমানো হতে পারে।
চা শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্র (Tea Industry & Manufacturing)
গত ৬ মাসের গড় ব্যবহারের ৮০% পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ (Industrial Gas Allocation)।
সার কোম্পানি (Fertilizer Companies Gas Supply)
প্রায় ৭০% গ্যাস বরাদ্দ।
তেল শোধনাগার (Oil Refineries Gas Supply)
মাত্র ৬৫% গ্যাস সরবরাহ।
হোটেল শিল্পে বড় সংকটের আশঙ্কা (Hotel Industry LPG Crisis)
হোটেল অ্যাসোসিয়েশন ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে, যদি বাণিজ্যিক LPG cylinder supply কমে যায়, তাহলে বেঙ্গালুরুর মতো বড় শহরে হোটেল বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি (Hotel Industry Shutdown Risk) তৈরি হতে পারে।
কেন গ্যাস সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্ত? (LPG Import Crisis)
ভারত তার মোট LPG demand-এর বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করে। এই আমদানির বড় অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য (Middle East Energy Supply) থেকে।
জ্বালানি পরিবহণের গুরুত্বপূর্ণ পথ হল Strait of Hormuz (Hormuz Strait Energy Route)। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই পথে জাহাজ চলাচল বন্ধ করেছে Iran।
ফলে আপাতত LPG import supply বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে দেশের গ্যাস মজুদ কত? (India LPG Stock)
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের মতে, বর্তমানে দেশের LPG stock প্রায় ৪০ দিনের জন্য যথেষ্ট। তবে বিকল্প হিসেবে United States এবং Australia থেকে জ্বালানি আমদানির চেষ্টা চলছে।
সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কী প্রভাব পড়তে পারে? (Economic Impact of Gas Shortage)
যদি পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকে, তাহলে বিভিন্ন শিল্পে বড় প্রভাব পড়তে পারে।
চা বাগানে উৎপাদন কমে যাওয়া (Tea Production Impact)
সার শিল্পে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া (Fertilizer Production Crisis)
হোটেল ও রেস্তোরাঁ শিল্পে খরচ বাড়া (Hospitality Industry Crisis)























