Patanjali Ayurved : শুধু লাভের কথা ভাবে না, সামাজিক কল্যাণের জন্য কাজ করে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ
Baba Ramdev: এই প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের লাভকে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক আয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না, পাশাপাশি সামাজিক ও পরিবেশগত বিকাশে অর্থ বিনিয়োগ করে।

Baba Ramdev: সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে সমাজের উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করছে ভারতের এই কোম্পানিগুলি। পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ সহ ভারতের অনেক কোম্পানি ও সংস্থা বর্তমানে তাদের ব্যবসার বাইরে সামাজিক দায়বদ্ধতার জন্য কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের লাভকে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক আয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না, পাশাপাশি সামাজিক ও পরিবেশগত বিকাশে অর্থ বিনিয়োগ করে।
পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ করছে এই কাজ
এই ক্ষেত্রে সবার আগে রয়েছে যোগ গুরু বাবা রামদেবের পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ। সংস্থা নিয়মিত বিনামূল্যে যোগ শিবির পরিচালনা করে। যেখানে লক্ষ লক্ষ লোক যোগব্যায়াম শেখে ও তাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। এছাড়াও, পতঞ্জলি সমাজকল্যাণের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরেরও আয়োজন করে। একই সঙ্গে সাশ্রয়ী মূল্যে আয়ুর্বেদিক ওষুধ সবার কাছে পৌঁছে দেয়।
দেশে কোন কোম্পানিগুলি সমাজকল্যাণের কাজে এগিয়ে রয়েছে
পতঞ্জলি ছাড়াও, টাটা গ্রুপ, ইনফোসিস ফাউন্ডেশন, উইপ্রো এবং মহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রার মতো কোম্পানিগুলিও সমাজকল্যাণের ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয়। টাটা ট্রাস্ট শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং গ্রামীণ উন্নয়নে অবদান রাখে। এটি অসংখ্য স্কুল ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছে এবং গ্রামীণ এলাকায় জল সংরক্ষণ ও কৃষি উন্নয়নের জন্যও কাজ করেছে।
মেয়েদের শিক্ষায় নানহি কলি
মহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা 'নান্হি কলি' নামে একটি উদ্যোগ চালু করেছে, যা মেয়েদের শিক্ষার প্রচার করে। এছাড়াও, এটি গ্রামীণ এলাকায় দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্যও কাজ করে। একইভাবে, ইনফোসিস ফাউন্ডেশন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কাজ করে। এই ফাউন্ডেশন স্কুল ও হাসপাতালে আর্থিক সাহায্য় করে থাকে। এ ছাড়াও গ্রামীণ এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে এই ফাউন্ডেশন। উইপ্রো 'উইপ্রো আর্থিয়ান ইনিশিয়েটিভ' চালু করেছে, যা পরিবেশ সুরক্ষা ও স্থায়িত্বকে উৎসাহিত করে। এই উদ্যোগ জল সংরক্ষণ এবং শক্তি সঞ্চয়ের জন্য কাজ করে।
এই ধরনের কোম্পানিগুলি লাভের ২ শতাংশ সামাজিক স্বার্থে ব্যয় করে
সংস্থাগুলি তাদের কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি স্কিমগুলির অধীনে এই উদ্যোগগুলি গ্রহণ করে। ভারতে ২০১৩ সালের কোম্পানি আইনের অধীনে CSR স্কিম বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। আইন অনুসারে, কোম্পানিগুলিকে তাদের লাভের ২ শতাংশ কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে হবে। এটি ভারতীয় কোম্পানিগুলোকে CSR (কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি) কার্যক্রমে আরও সক্রিয় হতে উৎসাহিত করেছে।
সিএসআর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
সামাজিক কল্যাণে এই সংস্থাগুলির অবদান ভারতকে একটি সমৃদ্ধ সমাজে পরিণত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সংস্থাগুলি দেখায় যে, ব্যবসায়িক সাফল্যের প্রকৃত অর্থ কেবল মুনাফা অর্জন নয়, সমাজের প্রতিটি শ্রেণীর মঙ্গলের জন্য কাজ করাই মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।






















