Fuel Crisis : পেট্রোল-ডিজেল সঙ্কটে মারাত্মক পরিস্থিতি ! আতঙ্কে বন্ধ হয়ে গেল ৪২১টি পাম্প, বড় ঘোষণা সরকারের
Petrol Diesel Crisis : জ্বালানির জোগান (Fuel Crisis) নিয়ে অভয় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাসত্ত্বেও মারাত্মক পরিস্থিতি হল এই রাজ্যে।

Petrol Diesel Crisis : ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের (US Iran War) আবহেও তৈরি হয়নি এই পরিস্থিতি। জ্বালানির জোগান (Fuel Crisis) নিয়ে অভয় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাসত্ত্বেও মারাত্মক পরিস্থিতি হল এই রাজ্যে। অবস্থা বেগতিক দেখে বন্ধ করে দেওয়া হল চারশোরও বেশি পেট্রোল পাম্প (Petrol Pump)। সব মিলিয়ে জ্বালানি আতঙ্কে জেরবার সাধারণ মানুষ।
কেন এই পরিস্থিতি দক্ষিণের রাজ্যে
হঠাৎ 'প্য়ানিক বায়িং' শুরু হওয়ার জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যে আতঙ্কে জ্বালানি ক্রয় ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। তড়িঘড়ি ৪২১টি পেট্রোল পাম্প বন্ধের নিদান দিয়েছেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, রাজ্য়ের জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অবলিম্বে ডেলা শাকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন জ্বালানি নিয়ে এই আতঙ্ক তৈরি হল, তা জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। কোথা থেকে এই ভুয়ো খবর এল, তা জানত বলা হয়েছে প্রশাসনকে।
টেলি কনফারেন্সে দিয়েছেন বার্তা
ইতিমধ্যেই সমস্য়ার সমাধানে টেলি কনফারেন্সে মুখ্য সচিব জি সাই প্রসাদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য়ে সব মিলিয়ে এখন ৪৫১০টি ফুয়েল আউটলেট রয়েছে, যার মধ্য়ে প্যানিক বায়িংয়ের কথা মাথায় রেখে ৪২১টি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্ধ্র সরকারের তরফে বলা হয়েছে,শনিবারই ডিলাররা ১০,৩৪৫ কিলোলিটার পেট্রোল ও ১৪,১৫৬ কিলোলিটার ডিজেল পেয়েছেন। এরপরই হঠাৎ করে রাজ্যে বিভিন্ন ফুয়েল স্টেশনে ক্রয় বেড়ে যায়। জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে আতঙ্কের পরই এই ক্রয় বাড়ে।
স্বাভাবিক দিনের তুলনায় হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যায়
রাজ্যের জ্বালানির চাহিদার পরিসংখ্য়ান বলছে, সাধারণ দিনগুলিতে রাজ্যে পেট্রোলের গড় ক্রয় থাকে প্রায় ৬,৩৩০ কিলোলিটার। ডিজেলের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা ৯,০৪৮ কিলোলিটার। যদিও শনি ও রবিবার হঠাৎ এই পরিসংখ্যান বেড়ে পেট্রোলের ক্ষেত্রে ৮,৪৮৯ কিলোলিটার ও ডিজেলের ক্ষেত্রে ১০,৫৫৬ কিলোলিটারে হয়ে গেছে। যার ফলে রাজ্যের অনেক পাম্পে জ্বালানির সঙ্কট দেখা দেয়। সেই কারণেই বন্ধ করে দেওয়া হয় বহু পেট্রোল পাম্প।
হঠাৎ চাহিদা তৈরি হওয়ায় সরবরাহের ওপর চাপ
সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জ্বালানি কেনার এই হিড়িক হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় অনেক পেট্রোল পাম্পের মজুদ জ্বালানি দ্রুত ফুরিয়ে যায়। সরবরাহ বৃদ্ধি করা সত্ত্বেও, আতঙ্কিত হয়ে জ্বালানি কেনার প্রবণতা আরও বেড়ে যায়। দীর্ঘ লাইন দেখা যায় পেট্রোল পাম্পগুলিতে। অনেকে ড্রামে করে বিপুল পরিমাণে জ্বালানি কেনা শুরু করেন, যা পরিস্থিতির ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে তোলে।
সেরা শিরোনাম






















