Anil Ambani: ১৭ হাজার কোটির ঋণ জালিয়াতি মামলা ! ‘প্রতারক’ তকমা SBI-এর- অনিল আম্বানিকে আজই তলব ইডির
Anil Ambani 17000 Cr Fraud Case: প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে ইয়েস ব্যাঙ্ক থেকে ৩০০০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের হদিশ, পরে জানা যায় রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস সংস্থা আরও ১৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি করেছে।

Anil Ambani Money Laundering Case: ১৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানিকে আজ মঙ্গলবার ৫ অগাস্ট দিল্লিতে সদর দফতরে তলব করেছে ইডি। আজই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সামনে হাজিরা দেবেন অনিল আম্বানি। এর আগে ১ অগাস্ট এই তদন্তকারী সংস্থাই রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যানকে সমন জারি করেছিল। আর একইসঙ্গে আম্বানির মালিকানাধীন বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির বিভিন্ন দফতরে একাধিক স্থানে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি ও কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ উদ্ধার করেছে ইডি।
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সংস্থা ইতিমধ্যেই ১২-১৩টি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্ককে চিঠি লিখে রিলায়েন্স হাউজিং ফিনান্স, রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস, আর রিলায়েন্স কমার্শিয়াল ফিনান্সকে অনুমোদিত ঋণের উপরে যথাযথ পর্যবেক্ষণের বিশদ তথ্য জানতে চেয়েছে। সূত্র অনুসারে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, ইউকো ব্যাঙ্ক এবং পঞ্জাব ও সিন্দ ব্যাঙ্কের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে বিশদ তথ্য।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে ইয়েস ব্যাঙ্ক থেকে ৩০০০ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের হদিশ, পরে তদন্তকারী সংস্থা জানতে পারে যে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস সংস্থা আরও ১৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি করেছে। এই তদন্তের অংশ হিসেবেই বিগত ২৪ জুলাই তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি, সংস্থার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার আর্থিক জালিয়াতির ও অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। PMLA-র অধীনে দেশের ৫০টি জায়গায় অনিল আম্বানির মালিকানাধীন বিভিন্ন সংস্থায় তদন্ত চালানো হয়েছে, ২৫ জন নির্বাহী আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং এদের মধ্যে একজন শিল্পপতিকে গ্রেফতারও করেছে ইডি।
বিশ্বওয়াল ট্রেডলিঙ্ক প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর পার্থসারথী বিশ্বওয়ালকে গ্রেফতার করেছে ইডি, তাঁর বিরুদ্ধে ৬৮.৯ কোটি টাকার ভুয়ো গ্যারান্টি জারি করার অভিযোগ উঠেছিল। ইতিমধ্যেই দুটি এফআইআর দায়ের হয়ে গিয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এও জানতে পেরেছে যে ইয়েস ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ মঞ্জুর হওয়ার আগে এই সংস্থার মালিকরা অনিল আম্বানির থেকে মোটা টাকার ঘুষও নিয়েছিলেন।
ইডির তদন্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্থিকভাবে দুর্বল সংস্থাকে অবৈধ উপায়ে ঋণ পাইয়ে দেওয়া, ঋণ অনুমোদনের ফাইলে প্রয়োজনীয় নথির অভাব, শেল কোম্পানির মাধ্যমে টাকা ট্রান্সফার, এমনকী বকেয়া ঋণ মেটানোর জন্য নতুন ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগেও ২০২০ সালে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস এবং অনিল আম্বানিকে প্রতারক বলে দাবি করেছিল এবং ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারি সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।






















