India Russia Relation : ট্রাম্পের হুমকিকে 'পাত্তা দিল না' ভারত, রাশিয়ার থেকে কিনবে আরও তেল, বলছে এই রিপোর্ট
Russian Oil : রাশিয়ার (India Russia Relation)থেকে আরও বেশি তেল (Russian Oil) কিনবে ভারত। খোদ এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স (Reuters)। কোন পথে হাঁটতে চলেছে নয়াদিল্লি।

Russian Oil : ট্রাম্পের (Trump Tariff) হুমকি ধমকি কাজে আসবে না। উল্টে রাশিয়ার (India Russia Relation)থেকে আরও বেশি তেল (Russian Oil) কিনবে ভারত। খোদ এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স (Reuters)। কোন পথে হাঁটতে চলেছে নয়াদিল্লি।
ট্রাম্পের সব চেষ্ট ব্যর্থ
রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার চেষ্টায় ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য সব কৌশল অবলম্বন করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এই কারণেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক জরিমানা আরোপ করেছেন।
রাশিয়ার থেকে এবার দ্বিগুণ তেল কিনবে ভারত
সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন বিশ্বাস করলে, ভারত এখন রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল ক্রয় বাড়াতে চলেছে। অগাস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে তেল ক্রয়ে ১০ থেকে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে।
ভারত তেল ক্রয় আরও বৃদ্ধি করবে
ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনার এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নিয়েছে, যখন ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে রাশিয়ান শোধনাগারটি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এর পাশাপাশি তার শোধনাগারের প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ান রপ্তানিকারকরা তেলের দাম কমিয়েছেন, যাতে আরও বিক্রি বাড়ানো যায়।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে মস্কোর উপর পশ্চিমি দেশগুলির নিষেধাজ্ঞার পর ভারত রাশিয়ার একটি বড় ক্রেতা হয়ে উঠেছে। সস্তা তেল ভারতীয় পরিশোধকদের তেলের দাম স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করেছে। যা শোধন করে অন্য দেশে রফতানি করেছে ভারত।
রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ট্রাম্পের ক্ষোভ
চলতি সপ্তাহ অর্থাৎ ২৭ আগস্ট ২০২৫ থেকে পোশাক, গয়না ইত্যাদি ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক হার ৫০ শতাংশে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের উপর অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপের এটি একটি বড় পদক্ষেপ নিয়ে আমেরিকা।
তবে আধিকারিকরা বলছেন, শুল্ক বিরোধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে এখনও আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাশিয়া ও চিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভাল করার জন্য ক্রমাগত কথা চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতে আমেরিকার ওপর চাপ বাড়বে। যাতে শেষে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বসতে বাধ্য হবে ট্রাম্প প্রশাসন। শীঘ্রই যার সুফল পাবে ভারত ।






















