Yes Bank: ৫০০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি এই বেসরকারি ব্যাঙ্কে, নিয়ম লঙ্ঘন আর পরিকল্পিত দুর্নীতির পর্দাফাঁস
Yes Bank Rs 500 Crore Loan Sale: অতীতে এই ব্যাঙ্ক ৫০০ কোটি টাকার ঋণ বা বলা ভাল নন-পারফর্মিং ঋণ হাউজিং ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের নাম থেকে বেআইনি উপায়ে স্থানান্তর করেছে।

এই বেসরকারি ব্যাঙ্কের অতীতের কিছু লেনদেন এবার নজরে এসেছে আর তা নিয়েই চলছে চরম চাপানউতোর। বেসরকারি ব্যাঙ্কের নাম ইয়েস ব্যাঙ্ক। দেখা গিয়েছে অতীতে এই ব্যাঙ্ক ৫০০ কোটি টাকার ঋণ বা বলা ভাল নন-পারফর্মিং ঋণ হাউজিং ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের নাম থেকে বেআইনি উপায়ে স্থানান্তর করেছে সুরক্ষা অ্যাসেট রিকনস্ট্রাকশন কোম্পানির নামে। আর এই ঘটনাতেই নজরদারিকে ফাঁকি দেওয়া, নিয়ম লঙ্ঘন এবং গোপন চক্রান্তেরও হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে।
অডিটে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে যে ইয়েস ব্যাঙ্ক তাদের নিজস্ব স্ট্রেসড অ্যাসেট কেনার জন্য পরোক্ষভাবে টাকা জুগিয়েছে। লেনদেনটি ২০১৭ সালের ৩১ মার্চের যখন এই ব্যাঙ্ক হাউজিং ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের ৫২৩ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের নন-পারফর্মিং ঋণ সুদ সহ ৫১৮ কোটি টাকায় সুরক্ষা এআরসিকে বিক্রি করে দিয়েছে।
যদিও ইয়েস ব্যাঙ্ক দাবি করেছে যে তারা ১৫ শতাংশ নগদ মার্জিন সুরক্ষিত করেছে। আর এই ঋণ কেনার টাকাও নাকি ব্যাঙ্কের নিজস্ব ফান্ডিং থেকে এসেছে বলে জানা গিয়েছে নিরীক্ষক বা অডিটরদের বয়ানে। তদন্তকারীরা উল্লেখ করেছেন যে চুক্তির মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ইয়েস ব্যাঙ্ক সুরক্ষা গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থা ফরচুন ইন্টিগ্রেটেড অ্যাসেটস সার্ভিস লিমিটেডকে প্রায় ১৯৯ কোটি টাকার টার্ম লোন এবং ক্যাশ লোনের সুবিধে অনুমোদন করেছিল।
২০১৭ সালের মার্চ মাসে ব্যাঙ্কটি নগদ ঋণের সীমা আরও ১০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি করেছে বলেও জানা গিয়েছে। এই ফান্ডের একটি অংশ HDIL-এর ঋণ অধিগ্রহণের সুবিধার্থে সুরক্ষা এআরসির অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে বলেই অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে ফান্ডের এই স্থানান্তরকে গুরুতর নিয়ন্ত্রণ বিধি লঙ্ঘন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কটি গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে এআরসি লেনদেনে নগদ মার্জিন পেমেন্ট করার জন্য অনুমোদিত ক্রেডিট লাইন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। আর এই কাজ রিস্ক ট্রান্সফারের উদ্দেশ্যকে ক্ষুণ্ন করে।
কিছুদিন আগেই তদন্তকারী সংস্থা ইডি রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানিকে তাঁর গ্রুপ সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ৩০০০ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত একটি আর্থিক তছরূপ মামলায় আগামী ৫ অগাস্ট জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল। আরও আগে ভিডিওকন গ্রুপকে ৩০০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদনের জন্য আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিইও ছন্দা কোছাড় ৬৪ কোটি টাকার ঘুষ নিয়েছিলেন বলে মামলা হয়েছিল এবং সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ছন্দা কোছাড় ও তাঁর স্বামী দীপক কোছাড়।






















