Uttar Pradesh News: দুপুরে রাখিবন্ধন পালন, রাতে বোনকে ধর্ষণ করে খুন, দাদাকে গ্রেফতার করল পুলিশ
Man Assaults Cousin Sister: উত্তরপ্রদেশের অউরাইয়া থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে।

অউরাইয়া: তুতো বোনের হাতে রাখি পরে, তাকেই ঘর্ষণের অভিযোগ এক যুবকের বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশ থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। শুধু ধর্ষণই নয়, মেয়েটিকে খুন করে, গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। খুনকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা হয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। (Uttar Pradesh News)
উত্তরপ্রদেশের অউরাইয়া থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, শনিবার তুতো বোনের কাছে রাখি পরতে গিয়েছিল ৩০০ বছর বয়সি সুরজিৎ নামের ওই যুবক। রাখি পরার পর বাড়ি ফিরে যায় ওই যুবক। কিন্তু মদ্যপান করে রাতে ফের ওই বাড়িতে ঢোকে সে। জানা গিয়েছে, সেই সময় ১৪ বছর বয়সি মেয়েটি নিজের ঘরে ঘুমাচ্ছিল। ঘুমের মধ্যেই কিশোরীকে ধর্ষণ করে সে, তার পর খুন করে। (Man Assaults Cousin Sister)
ঘটনার সময় মেয়েটির বাবাও বাড়িতে ছিলেন। অন্য একটি ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন তিনি। মেয়ের সঙ্গে এত বড় অপরাধ ঘটছে, তা তিনি টেরও পাননি বলে খবর। পর দিন সকালে ঘরের মধ্য়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়েটির দেহ উদ্ধার হয়। মেয়েটির বাড়ির লোকজন এর পর পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে ওই বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। ঘরে ঢুকে তারা দেখে, মেঝেতে রক্ত পড়ে রয়েছে। রক্তের দাগ রয়েছে বাড়ির অন্যত্রও। বাড়ির লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। সেই সময়ও ওই বাড়িতে ছিল অভিযুক্ত। অভিযোগ, পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালায় ওই যুবক। এমনকি বাড়ির লোককে কথা বলতেও বাধা দেয় সে। বাড়ির লোকের সঙ্গে সঙ্গে ঘুরছিল সে। এমনকি বাড়ির লোককে কিছু জিজ্ঞাসা করা হলে, আগ বাড়িয়ে সে উত্তর দিচ্ছিল।
এর দরুণই ওই যুবকের গতিবিধি নিয়ে সন্দেহ জাগে পুলিশের। এর পর, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে দেখা যায়, খুনের আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল মেয়েটিকে। জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হলে ওই যুবকের বয়ানেও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। শেষ পর্যন্ত তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। অউরাইয়ার পুলিশ সুপার অভিজিৎ শঙ্কর জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধ কবুল করেছে সুরজিৎ।
দেশে নারী নির্যাতনের এমন ঘটনা পর পর ঘটেই চলেছে। একদিন আগ উত্তরপ্রদেশ থেকেই আর একটি ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসে। গলায় ছুরি ঠেকিয়ে বরেলীতে এক কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। চোখের সামনে অপরাধ ঘটতে দেখে বাধা দেওয়ার পরিবর্তে, এক প্রতিবেশী গোটা দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন বলে জানা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও আপলোডও করে দেওয়া হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর মেয়েটির বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযোগ, ধর্ষণের মামলা দায়েরের পরিবর্তে পুলিশ যৌন নিগ্রহের মামলা দায়ের করে।






















