Abhishek Banerjee: ডিজে মামলায় ফের গরহাজির, কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে নারাজ অভিষেক, কঠোর পদক্ষেপের দাবি সিআইডির
CID on Abhishek: আজ সকাল ১০ টার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল বিধাননগর মহকুমা আদালত। এর আগে ৩০ জুন তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও হাজিরা দেননি তিনি।

কলকাতা: ডিজে মামলায় কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে হাজিরা দিতে এলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিন নয়, পরপর দু'দিন হাজিরা দিলেন না ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। অভিষেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন সিআইডির।
আরও পড়ুন: "যাবতীয় লেনদেনই অত্যন্ত সন্দেহজনক", তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি
আজ, ৮ জুলাই সকাল ১০ টার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল বিধাননগর মহকুমা আদালত। এর আগে ৩০ জুন তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হলেও তখনও হাজিরা দেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরই গতকালের শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশের নোটিশে সাড়া দেওয়ার জন্য বলেন।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, "তদন্তে সহযোগিতা করবেন এই শর্তেই আদালত রক্ষাকবচ দিয়েছিল। ইতিমধ্যে তো রক্ষাকবচ দেওয়া আছে, অসুবিধা কোথায়?" এ ছাড়াও আদালত এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে কি প্রস্তুত নন অভিষেক? তারপর রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন, যদি শর্তভঙ্গ হয়ে থাকে, তাহলে যেন আবেদন করা হয় আদালতের কাছে।
এদিনের শুনানিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের জন্যও আবেদন করে সিআইডি। সিআইডির তরফে এদিন আদালতে অভিযোগ করা হয় যে তদন্ত ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়াও সিআইডির তরফ থেকে জানানো হয়, তদন্তকারী আধিকারিক থেকে বিশেষজ্ঞ, তাঁরা কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার জন্য রোজ আসছেন, আর তারপর সারাদিন বসে থেকে চলে যাচ্ছেন।
যদিও, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডিজে মামলায় আবারও হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিধাননগর মহকুমা আদালত জানিয়েছে আগাঈ ১৮ জুলাই যেন হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে, তৃণমূলের ৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আগেই ডেবিট ফ্রিজ করা হয়েছিল। আর এবার সেই ৩ অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে মোট ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৫ জায়গায় তল্লাশি করার পরই এই ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি।
গতকালই তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্ট নিয়ে তদন্তের কাজে কলকাতা ও শহরতলির মোট ৫ জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চালায় ইডি। আর তারপরই HDFC ব্যাঙ্কের ৩ টে অ্যাকউন্টে থাকা ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেয়ারওয়েল গ্রুপের অফিসে তল্লাশি চালানোর পর কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, "তৃণমূলের টাকাতেই কপ্টার - বিমান কিনেছিল কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন"।
Before You Go
Mamata Banerjee: 'আমাদের হ্যান্ডমাইক কেড়ে নিয়েছে, পুরো এলাকায় সকাল থেকে তাণ্ডব করেছে', অভিযোগ মমতার























