Trinamool Bank Account: "যাবতীয় লেনদেনই অত্যন্ত সন্দেহজনক", তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি
Enforcement Directorate: গতকালই মোট ৫ জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চালায় ইডি। আর তারপরই তৃণমূলের HDFC ব্যাঙ্কে থাকা ৩ টে অ্যাকউন্টে থাকা ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

কলকাতা: তৃণমূলের ৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আগেই ডেবিট ফ্রিজ করা হয়েছিল। আর এবার সেই ৩ অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে মোট ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৫ জায়গায় তল্লাশি করার পরই এই ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ইডি।
আরও পড়ুন: ডিজে মামলায় ফের গরহাজির, কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে নারাজ অভিষেক, কঠোর পদক্ষেপের দাবি সিআইডির
গতকালই তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্ট নিয়ে তদন্তের কাজে কলকাতা ও শহরতলির মোট ৫ জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চালায় ইডি। আর তারপরই HDFC ব্যাঙ্কের ৩ টে অ্যাকউন্টে থাকা ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেয়ারওয়েল গ্রুপের অফিসে তল্লাশি চালানোর পর কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, "তৃণমূলের টাকাতেই কপ্টার - বিমান কিনেছিল কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন"।
শুধু এইটুকুই নয়, আরও ভয়াবহ কিছু তথ্য তুলে ধরেছে ইডি। তার জানিয়েছে, "তৃণমূলের টাকায় কপ্টার - বিমান কিনে তা তৃণমূলকেই ভাড়া দেওয়া হয়।" এ ছাড়াও তারা জানিয়েছে, "তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে যাবতীয় লেনদেনই অত্যন্ত সন্দেহজনক।"
তৃণমূলের তহবিলের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে ইডি। তারা জানিয়েছে, কলকাতার সংস্থা কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন কপ্টার - বিমান কিংয়েছিল তৃণমূলের টাকাতেই। তারপর সেই কপ্টার - বিমান তারা ভাড়া দিয়েছিল তৃণমূলকেই। আরও জানা গিয়েছে, ১১২ কোটি টাকা দিয়ে একটি বিমান, কপ্টার কেনে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন। কেনা হয় লেগাসি এমব্রেয়ার ৬০০ বিমান ও একটি অগাস্টা ১০৯ SP কপ্টার।
তবে এখানেই শেষ নয়। ইডি আরও জানিয়েছে, কপ্টার কিনতে তৃণমূলের টাকার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বিদেশ থেকে আসা টাকাও। তৃণমূল সেই সপ্তার ভাড়া নেয় ও তারপর ভাড়া বাবদ মোটা টাকাও মেটায় তৃণমূল।
ইডি আরও জানিয়েছে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে মোট ১৬০ কোটি টাকা তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রান্সফার করা হয় বিমান সংস্থা কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনকে। ইডি তদন্ত করে আরও জানতে পেরেছে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনকে যে ১৬০ কোটি টাকা পাঠিয়েছিল তৃণমূল, এর মধ্যে প্রায় ৮৩ কোটি টাকা আবার ট্রান্সফার হয়েছে অন্য কোনও অ্যাকাউন্টে।
এই সব কিছুর কারণেই কেন্দ্রীয় এই সংস্থা এই তহবিল তদন্তে নেমে একটা চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে। তারা বলছে যে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে হওয়া যাবতীয় লেনদেনই অত্যন্ত সন্দেহজনক। তারা বলছে, একাধিক সন্দেহজনক ও বেআইনি লেনদেন পাওয়া গিয়েছে তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে। এ ছাড়াও, অবৈধ ভাবে টাকা রোজগারের একটা যেন জায়গা হয়ে উঠেছিল তৃণমূলের এই ব্যাঙ্ক অ্যাকউন্ট। তৃণমূলের তহবিল নিয়ে তদন্তে নেমে গতকাল অর্থাৎ ৭ জুলাই মোট ৫ জায়গায় তল্লাশি চলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ওই দিন, নিউটাউন, রাধাবাজার স্ট্রিটে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয় ইডির তরফে।























