Abhishek Banerjee: 'যদি হারের দায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়, '২৪ সালে জয়ও হয়েছে...', কী বললেন অভিষেক ?
TMC MP Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ কি গ্রহণ করবেন বিদ্রোহীরা? নাকি তৃণমূল ভাঙতেই থাকবে? সেটাই এখন দেখার।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, আমতলা : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার ৫ তলা কার্যালয়ে চলল বুলডোজার। আর সেই দিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া বিধায়ক-সাংসদদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে দেখা গেল অভিষেককে। তৃণমূল সাংসদ বলেছেন, 'যদি হারের দায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়, '২৪ সালে জয়ও হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। বলবেন? যদি আমাকে নিয়ে কারও সমস্যা থাকে, আমি চ্যালেঞ্জ করছি, ৬০ জন বিধায়ক চলে গেছেন, কিছু লোক গেছেন, ২০জন সাংসদ গেছেন। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফেরত আসুন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমি ইস্তফা দিয়ে দেব।'
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ কি গ্রহণ করবেন বিদ্রোহীরা? নাকি তৃণমূল ভাঙতেই থাকবে? সেটাই এখন দেখার। এই প্রসঙ্গে বিজেপি'র সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, 'এরকম চ্যালেঞ্জ বরাবর করে থাকেন... এই করে নেব, সেই করে নেব। আসলে উনি চান না, সবাই দলে ফিরুক।' প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অভিষেক চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, 'ওপেন চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। আপনারা ফিরে আসুন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমি ইস্তফা দিয়ে দেব। ২৪ ঘণ্টা, চলো ২৪ ঘণ্টা ছেড়ে দাও, ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেব।'
বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার অফিস। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের দাবি, ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের কার্যালয়টি অবৈধভাবে তৈরি। জোড়া নোটিসের পরেও কেউ শুনানিতে হাজির না হওয়ায় করা হল বুলডোজার অ্যাকশন। এর আগে, বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের কোম্পানি ও আত্মীয়স্বজনকে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের তরফে পাঠানো হয় ১৭টা নোটিস। সম্পত্তির চরিত্র বদলের অভিযোগে কালীঘাট রোডের একটি সম্পত্তিতেও নোটিস দেয় পুরসভার অ্য়াসেসমেন্ট বিভাগ। এবার সেই একই বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে ভাঙা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয়।
শনিবারের বারবেলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অফিসে চলল বুলডোজার। ৩-৩টি জেসিবি দিয়ে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের কার্যালয়ের এক-একটি অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। অভিযোগ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অফিসটি বেআইনিভাবে তৈরি করা হয়। এনিয়ে ১৫ জুলাই শুনানির জন্য জোড়া নোটিস দেওয়া হলেও, কেউ হাজির হননি বলে প্রশাসনের দাবি। এরপরেই শনিবার বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজার দিয়ে শুরু হয় অ্যাকশন।























