Mamata Banerjee: 'থাকতে দেওয়ার নামে ঝুপড়িবাসীদের থেকে তোলাবাজি', মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২ ভাইয়ের ক্লাবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ
Kalighat Milan Sangha: 'ঝুপড়িবাসীদের থেকে টাকা তুলত কার্তিক ও অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকেরা', কালীঘাট মিলন সঙ্ঘের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ।

আবির দত্ত, কলকাতা : কালীঘাট মিলন সঙ্ঘের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২ ভাইয়ের ক্লাবের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ। 'এলাকায় থাকতে দেওয়ার নামে টাকা তোলা হত। প্রতি মাসে টাকা তুলত কালীঘাট মিলন সঙ্ঘ ক্লাব। ঝুপড়িবাসীদের থেকে টাকা তুলত কার্তিক ও অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকেরা', কালীঘাট মিলন সঙ্ঘের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ। সরব স্থানীয় বাসিন্দারা। কালীঘাট মিলন সঙ্ঘের স্লিপে দীর্ঘদিন ভাড়া দিতে হয়েছে স্থানীয় ঝুপড়িবাসীদের। অথচ এলাকাবাসীর দাবি এই এলাকা কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের আওতাধীন। তাহলে কীভাবে সেই জায়গায় ভাড়া নেওয়া হত কালীঘাট মিলন সঙ্ঘের স্লিপে? হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ঝুপড়িবাসীরা গুরুতর অভিযোগ করেছেন।
এক বাসিন্দার অভিযোগ, 'ছাদ পুরো ভেঙে গেছে। প্লাস্টার নেই। তার মধ্যে ফোন করে টাকা দিতে বলছে। টাকা না দিলে বলছে ঘর তালা দিয়ে চলে যাও। মাসে টাকা দিতে দেরি হলেই বলতে ঘর তালা মেরে দেবে।' আরেক বাসিন্দার অভিযোগ, ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘরের জন্য ভাড়া দিতেন তিনি। ওই মহিলা এও বলেন, ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্যায় 'মমতাদির ভাই'। কালীঘাট মিলন সঙ্ঘের প্যাডেই দিতে হত ভাড়া। অনেক সময় আসতেন ষষ্ঠী বন্দ্যোপাধ্যায়। কখনও বা লোক পাঠাতেন। এলাকার সকলকে ভাড়া দিতে হত।
'আপনারা ফিরে আসুন, ১ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেব', অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, পাল্টা দেবজিৎ বললেন...
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন কালীঘাট মিলন সংঘের বিরুদ্ধে উঠল তোলাবাজির অভিযোগ। এই ক্লাবের পাশেই একটি ঝুপড়িতে বসবাস করে শখানেকের মতো পরিবার। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখান থেকে নিয়মিত ভাড়ার নামে তোলা আদায় করা হতো। এমনকী কোনও পরিবারের থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের একাংশের। অভিযোগকারীদের দাবি, টাকা নেওয়ার বিনিময়ে তাঁদের দেওয়া হতো কালীঘাট মিলন সংঘের স্লিপ। প্রশাসন সূত্রে খবর, আদি গঙ্গা-সংলগ্ন এই অঞ্চল আসলে পোর্ট ট্রাস্টের জমি। সেই সরকারি জমিতে কীভাবে বসতির নামে চলত তোলাবাজি? এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। শুভেনদু অধিকারীর কার্যালয়ে অভিযোগ জানালে, এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এ নিয়ে এলাকাবাসীর তরফে মুখ্য়মন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়ার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এবিষয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে, ফোনে পাওয়া যায়নি তাঁকে। হোয়াটসঅ্যাপেও জবাব দেননি তিনি।






















