Amit Shah : 'আপনার থেকে তো কমিউনিস্টরা ভাল ছিল', মমতাকে বিঁধলেন শাহ; 'আমরা কোনও সার্টিফিকেট চাইনি' : সুজন
CPM Leader : যদিও সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর এ প্রসঙ্গে বক্তব্য, 'অমিত শাহর কাছে আমরা কোনও সার্টিফিকেট চাইনি'।

শিলিগুড়ি : তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের ডাক অমিত শাহর। এদিন শিলিগুড়ির সভা থেকে একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন তিনি। এমনকী 'আপনার থেকে তো কমিউনিস্টরা ভাল ছিল' বলেও মমতার উদ্দেশে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। যদিও সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর এ প্রসঙ্গে বক্তব্য, 'অমিত শাহর কাছে আমরা কোনও সার্টিফিকেট চাইনি'। জবাব দিয়েছে তৃণমূলও।
এদিন শিলিগুড়ির সভা থেকে শাহ বলেন, "প্রায় সাড়ে চার দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে গেছে। প্রথমে কমিউনিস্ট পার্টি...এরা বাংলাকে পিছনে পাঠানোয় কোনও খামতি রাখেনি। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলেন। উনি মা-মাটি-মানুষের স্লোগান দিলেন। আজ আমি বিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে, মমতা দিদি...আপনার থেকে তো কমিউনিস্টরা ভাল ছিল। পশ্চিমবঙ্গের একতা শেষ করে দিয়েছেন। এই উত্তরবঙ্গ থেকে বলে যাচ্ছি, মমতা দিদি আপনার সময় শেষ হয়ে গেছে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব বিবেকানন্দ ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কল্পনার সোনার বাংলা গড়ে তোলা হবে।"
শাহ-র বক্তব্যের জবাবে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, "অমিত শাহর কাছে আমরা কোনও সার্টিফিকেট চাইনি। অমিত শাহ তৃণমূলকে সার্টিফিকেট দেবেন কারণ তৃণমূলের সঙ্গে থেকেছেন, সাহায্য করেছেন। এখনও সাহায্য করছেন। আমরা কোনও সার্টিফিকেট চাইনি। অপরাধ-মনস্ক লোকেরা যখন সরকার চালায়, আমাদের রাজ্যেই হোক বা দেশেই, তখন রাজনীতি কলুষিত হয়। এটা অমিত শাহ বুঝতে চাইবেন না বা পারবেন না। কিন্তু, ওঁর সার্টিফিকেট আমাদের দরকার নেই। দুই, পশ্চিমবঙ্গ তখন না হয় খারাপ ছিল, এখন তার চেয়েও খারাপ হয়েছে...এখন যা চলছে তার চেয়ে ভাল হবে যখন বিজেপি আসবে... এটা সবাই বুঝতে পারেছে, তৃণমূলের সরকারটার পিছনে বকলমে শক্তভাে হয়ে খুঁটি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিজেপির বাহিনীর। তা যদি না থাকত তাহলে নবান্নে যারা অধিষ্ঠান করছেন, তাঁদের সবার জেলেই থাকার কথা। ইডি-সিবিআই মারফত এই সরকারের পিছনে থামের মতো করে, শক্ত খুঁটির মতো করে যারা দাঁড়িয়ে আছে তাঁদের মানুষ ভরসা করবে না।" অন্যদিকে, শাহকে পাল্টা জবাব দিয়ে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, "অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবেই বক্তব্য রেখেছেন, না বিজেপি নেতা হিসাবে। যদি বিজেপি নেতা অমিত শাহ এই বক্তব্য রেখে থাকেন তাহলে আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, বিজেপি নেতা অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নম্বর টু অমিত শাহর মধ্যে কোনও কো-অর্ডিনেশন নেই। দুইজন দুই ব্যক্তি। একই ব্যক্তি নন। দুজনের মধ্যে কোনও কো-অর্ডিনেশন নেই। কারণ, কেন্দ্রীয় সরকারের যে তথ্যগুলি ক্রমাগত বাংলাকে টপ ব়্যাংকিং দিয়ে চলেছে, বাংলাকে প্রথমের সারিতে থাকার জন্য পুরস্কৃত করে চলেছে, সেটা এককালে ১০০ দিনের কাজের জন্য পরপর প্রথম হওয়া হোক দেশের মধ্যে, যেখানে ১০০ দিনের প্রকল্পটা বন্ধই করে দিল। এছাড়া কৃষি কর্মণ পুরস্কার পাওয়া হোক-বাংলার এক নম্বর হয়ে। হাসপাতালে বেডের সংখ্যার নিরিখে ভারতের এক নম্বর রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ।"























